গাইবান্ধা প্রতিনিধি

  ০১ ডিসেম্বর, ২০২২

গাইবান্ধায় তিন মামলা একজনের ফাঁসি ও দুইজনের যাবজ্জীবন

ছবি : সংগৃহীত

গাইবান্ধায় পৃথক তিনটি মামলায় একজনের ফাঁসি ও দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মোঃ আব্দুর রহমান ও জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর মিয়া দুপুর ১২টায় এ পৃথক তিনটি মামলার রায় দেন।

নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মহিবুল হক মোহন জানান, ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বড়দহ পূর্বপাড়া গ্রামের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে পার্শ্ববর্তী বড়দহ পূর্বপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ জাবেদ আলীর ছেলে মেহেদী হাসান মানিক অপহরণ করে ধর্ষণ করে। ওই ঘটনায় ১৬ই এপ্রিল মানিককে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর বাবা।

মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক বৃস্পতিবার সকালে মেহেদী হাসানের ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি মেহেদী হাসান মানিক পালাতক ছিল। অপরদিকে ১৯৯৮ সালের ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখে) বিষাক্ত মদ খেয়ে ১১ জন মৃত্যুর ঘটনায় মদ বিক্রেতা গাইবান্ধা শহরের মধ্যপাড়ার বাসিন্দা সুরেন্দ্রনাথ সরকারের ছেলে রবীন্দ্রনাথ সরকার রবিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর মিয়া।

এব্যাপারে গাইবান্ধা জেলা দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর সিদ্দিকুল ইসলাম রিপু জানান, ১৯৯৮ সালের ১৪ ই এপ্রিল পহেলা বৈশাখে রবির মদের দোকান থেকে মদ খেয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করতে গিয়ে বিষক্রিয়ায় ১১ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার দুইদিন পর ১৬ই এপ্রিল শহরের সার্কুলার রোডের মৃত মদন বাঁশফোড়ের স্ত্রী মুন্নি বাশঁফোড় বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় দেন বিচারক।

একই সাথে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বাগদা ফাম এলাকার তালা মারডি নামে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে জেলা দায়রা জজ আদালত। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তালা মারডির ছোড়া তীরে ১৯৯৪ সালে মঙ্গল মার্টি নামে আরেক আদিবাসী নিহত হন। দীর্ঘ ২৮ বছর শুনানি শেষে বিচারক এ রায় দেন।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
গাইবান্ধা,মামলা,যাবজ্জীবন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close