শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি

  ০৬ জুলাই, ২০২২

টুং টাং শব্দে মুখরিত শালিখার কামারশালা

ছবি : প্রতিদিনের সংবাদ

ঈদের আর মাত্র বাকি ৩ দিন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে শালিখার কামার পল্লীগুলোই বেড়েছে কাজের চাপ, দেখে মনে হচ্ছে দম ফেলার ফুরসত নেই তাদের।

বুধবার (৬ জুলাই) উপজেলার বুনাগাতী, আড়পাড়া, গঙ্গারামপুরসহ বিভিন্ন স্থানের কামারশালায় গিয়ে দেখা যায় এমন চিত্র।

বড় ছুরি, ছোট কাটারি, বটি , দা , চাপাতিসহ নানাবিধ মাংস কাটার সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। কেউ আগুনে ধরাচ্ছেন, কেউ আবার বড় হামান দিয়ে সজোরে আঘাত করছেন জ্বলন্ত লোহার অগ্নিপিণ্ডটিতে। খানিক বাদেই তৈরি হয়ে যাচ্ছে ছুরি, চাপাতিসহ নানা সরঞ্জাম। দূর দূরান্ত থেকে বিভিন্ন লোকজন দা, বঁটি, চাপাতিসহ বিভিন্ন সরঞ্জামে ধারকাটাতে ভিড় জমাচ্ছেন কামারপট্টিতে। যেখানে কেজি প্রতি দা ৫০০ টাকা, বটি ৬০০ টাকা, চাপাতি ৭০০ টাকায় তৈরি করা হচ্ছে এবং পোড়াতে খরচ হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।

উপজেলা সদর আড়পাড়া বাজারের কামার প্রদীপ বিশ্বাস বলেন, গত কয়েক বছরের চেয়ে এ বছর কোরবানির পশু কাটার সরঞ্জাম তৈরির চাপটা একটু বেশি পাশাপাশি পাট কাটার কাস্তে তৈরির চাপেও রয়েছে সমানে।

কোরবানির পশু কাটার সরঞ্জাম তৈরি করতে আসা কয়েক ব্যক্তির সাথে কথা হলে তারা জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতিটা সরঞ্জাম তৈরি ও পোড়াতে দাম একটু বেশি নেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্র গোস্বামী জানান, এ বছর কোরবানির জন্য গরু ১৯৩৯, ছাগল ৩৩৫৮ টি প্রস্তুত রাখা হয়েছে যা যথেষ্ট বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, আসন্ন কোরবানিতে মানুষ যেন সুস্থ ও সবল পশু কোরবানি দিতে সেজন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে একটি মেডিকেল টিম উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে গিয়ে গরু-ছাগলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন এবং প্রাথমিক ওষুধ বিতরণ করছেন।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কামারশালা,ঈদ
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close