চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

  ১১ জানুয়ারি, ২০২২

পাঁচ বছর মুখ থুবড়ে পড়ে আছে ব্রিজ, হাজার মানুষের ভোগান্তি

ছবি : প্রতিদিনের সংবাদ

গ্রামীণ কাঁচা সড়কের দুই গ্রামের মধ্যখানে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে ব্রিজটি। সড়কসহ এসব ব্রিজ নির্মাণের পর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এলাকাবাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস নিলেও ২০১৭ সালের বন্যায় তা ভোগান্তিতে রূপান্তরিত হয়। ওই বন্যায় ব্রিজের দুইপাশের মাটি সরে গিয়ে ব্রিজটি ভেঙে সংযোগ সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। সেই থেকে চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়ে দুই গ্রামের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ।

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের মজাইটারী-নয়াবস এলাকার সড়কের চিত্র এটি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ব্রিজটি নির্মাণের তিন মাসের মাথায় বন্যায় ব্রিজসহ দুই পাশের মাটি ভেঙে পড়ে। তখন থেকেই এমন অবস্থায় পড়ে থাকলেও আমলে নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এতে পাঁচ বছর ধরে এমন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার মানুষদের।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের মজারটারী ফরিয়ার মোড় হতে নওরারপাড় পর্যন্ত রাস্তায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রায় ৩২ লাখ ৫২ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

নয়াবশ এলাকার জেলহক মিয়া বলেন, নিয়ম না মেনে ব্রিজটি তৈরির ফলে আজ এই অবস্থা। অনেক কষ্ট করে এখন চলাচল করতে হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে এই ভোগান্তির কোনো গুরুত্ব নেই।

মজাইটারী এলাকার জামেনা বেগম, ব্রিজ তৈরির কয়েক মাসের মধ্যে ভেঙে পড়ায় চলাচল করা যায় না। এখন আমাদের দাবি দ্রুত ব্রিজটি দ্রুত সংস্কার করা হোক।

স্থানীয় দেলোয়ার হোসেন, জামেলা বেগমসহ আরো বেশ কয়েকজন বলেন, শুকনো মৌসুমে হেঁটে চলাচল করা গেলেও বৃষ্টি আর বন্যার সময় কষ্টের সীমা থাকে না। সেতুটি ভেঙে পড়ায় এই সড়কে কোনো যানবাহন আসে না। ফলে যত দিন যাচ্ছে ভোগান্তি তত বাড়ছে।

সড়কটি ব্যবহার উপযোগী করার বিষয়ে কী উদ্যোগ নেওয়া হবে- জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে এবং জনগণ যেন ভোগান্তিতে না থাকে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
চিলমারী,কুড়িগ্রাম,মজাইটারী-নয়াবস,ভাঙা ব্রিজ,দুর্ভোগ
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close