আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

  ০৫ ডিসেম্বর, ২০২১

অনেক জেলে ফেরেনি, জাওয়াদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় উপকূলের মানুষ 

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত থাকায় জাওয়াদ আতঙ্কে রয়েছে আমতলীসহ গোটা উপকূলের মানুষ।

এছাড়া গভীর সাগরে থাকা শতশত মাছ ধরা ট্রলার নিরাপদে আসতে না পারায় দুশ্চিন্তায় পড়েছে শতশত জেলে পরিবার।

রোববার সকাল থেকেই বরগুনার আমতলীসহ উপকূলীয় এলাকার আকাশ মেঘলা থেকে গুরি গুরি বৃষ্টি হচ্ছে। দিনব্যাপী মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া, দুপুর থেকে বিকেল ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে চারদিক অন্ধকারাচ্ছন্ন হতে শুরু করেছে।

বেলা ৪টার শুরু হয়েছে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। উপকূলীয় মানুষের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয় উপকূলীয় বেশ কয়েকটি সূত্র জানায়, সাগরে প্রচন্ড ঢেউ ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে শতশত ট্রলার গভীর সমুদ্রে থাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে আসতে পারেনি। গভীর বঙ্গোপসাগরে শতশত মাছ ধরা ট্রলার আটকা পরায় দুশ্চিন্তায় রয়েছে সাগরে থাকা জেলেদের পরিবার।

শনিবার রাতে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, বহু ট্রলার এখন সাগরে অবস্থান করছে। কোন ঘাটেই কোন ট্রলার নেই। আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় আমরা যাদের মোবাইলে পেয়েছি তাদের নিরাপদস্থানে আসতে বলেছি। এখন পর্যন্ত কোন ট্রলার ঘাটে আসতে পারেনি। এতে করে জেলে পরিবারের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে ঘূর্নিঝড় জাওয়াদের খবরে চিন্তিত হয়ে পড়েছে কৃষক। তারা জানিয়েছেন, পাকা আমনের মাঠে এ অবস্থায় বৃষ্টি হলে ধানগাছ হেলে পড়ে যাবে। এতে অর্ধেক ধান বিনষ্ট হবে। ঘরে তুলতে পারবেন না তারা।

অতীতে ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, মহাসেন, ফনিতে বিষখালীর তীরবর্তী মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। সেই সাথে গবাদি পশু ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় আমতলীর পায়রা নদীর এলাকার মানুষের মধ্যেও রয়েঝে জাওয়াদ আতংক বিরাজ করছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) একেএম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ বলেন, আমাদের সকল রকমের প্রস্তুতি নেয়া আছে। সরকারের যথাযথ নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
উপকূলের মানুষ,জেলে
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close