কনক দেব, শিবগঞ্জ (বগুড়া)

  ৩০ নভেম্বর, ২০২১

ঐতিহাসিক মহাস্থানে সাধের কটকটি

শুনতেও মজা! খেতেও মজা! বলছিলাম বগুড়ার শিবগঞ্জে ঐতিহাসিক পুন্ডনগর মহাস্থান গড়ের কটকটির কথা। প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস এই মহাস্থান।

ইতিহাসের পূন্ডনগর খ্যাত মহাস্থান, বিখ্যাত ধর্মযাজক শাহ সুলতান রহমতউল্লাহর মাজার, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহীদ প্রফুল্ল চাকী, শীলাদেবীর ঘাট, ফকির বিদ্রহ আন্দোলনের ফকির মজনুশাহ, বেহুলা লক্ষীনদরের বাসর ঘরসহ অনেক স্মৃতিবিজরিত ইতিহাস আর ঐতিহ্যের অপূর্ব লীলাভূমি এই মহাস্থানগড়।

মহাস্থানগড় এলাকা ঘুরে জানা গেছে, চালের আটা দিয়ে তেলে ডালডা বা ঘিয়ে ভাজার পর আখের গুর বা খেজুর গুর দিয়ে মাখানো হয়। এর পর হয়ে যায় চার কোনা বিস্কুট আকৃতির মিষ্টি কটকটি। এলাকায় গড়ে উঠেছে কটকটির কারখানা। পর্যটকদের মাধ্যমে এই কটকটি খাবারের খেতি ছরিয়ে পড়েছে দেশ ছারিয়ে বিদেশ। মহাস্থান মাজারগেট, বাসষ্টান্ডসহ বাজারে প্রায় শতাধিক কটকটির দোকান। এছাড়া ফেরিওয়ালা ডালিতে করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা আছে আশে পাশের এলাকাসহ কয়েক'শ।

কটকটি ব্যবসায়ী নসীব কটকটি, মনির হোসেন, লালমিয়া কটকটি আশরাফুল ইসলাম ছালেক, নাসির কটকটি মহাস্থান কটকটি হাকিম, নাসির, রফিকুল ইসলাম বাদল, শহীদুল ইসলাম রন্জুসহ প্রমুখ কটকটি ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনের সংবাদকে জানান, ঘিয়ে ভাজা খেজুর গুরের স্পেশাল কটকটি প্রতি কেজি ২৫০টাকা, আখের গুর তেলে ভাজা ১৫০টাকা, ডালডায় ভাজা ১২০ টাকা।

প্রতিদিন প্রায় ১৫০থেকে২০০মন কটকটি খুচরা ও পাইকারি বিক্রি হয়ে থাকে। ব্যবসায়ীরা জানায়, অন্যান্য দিনের চেয়ে কেনা-বেচা হয় শুক্রবারে বেশি। এছাড়া মাজারে, হিন্দুদের তিথি পর্বে ও বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার বসে মেলা এই মেলায় সবচেয়ে বেশি কটকটি বিক্রি হয়।

ব্যবসায়ীদের দাবি সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই কটকটি মিষ্টি খাদ্য ব্যবসায়ীকভাবে সাফল্য লাভ করবে,হবে আরো অনেকের কর্মসংস্থান।বাড়বে সরকারি রাজস্ব।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
শিবগঞ্জ,বগুড়া
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close