লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

  ২৭ জুলাই, ২০২১

গৃহবধূ কলি নিহতের ঘটনায় ঘাতক জিয়াকে খুঁজছে পুলিশ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের মাইজবিলা পুর্ব পাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ির টয়লেট থেকে ৭মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে স্ত্রীর মৃতদেহ উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে রেখে ঘাতক স্বামী জিয়াউর রহমান দ্রুত পালিয়ে যায়।

ঘটনার দিন নিহতের শাশুড়ি ওই এলাকার মৃত এনায়েত উল্লাহর স্ত্রী রাজিয়া বেগমকে(৫৫) আটক করেছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ। এ ঘটনার ফারজানা আকতার কলির স্বামী মামলার ১নং আসামি জিয়াউর রহমানকে হন্য হয়ে খুঁজছে থানা পুলিশ। তবে সে কৌশলে পালিয়ে রয়েছে বলেও জানা গেছে।

জানা গেছে , গত ১৮জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী ফরজানা আকতার কলিকে(২২) টয়লেটে দেখতে পান তার শাশুড়ি। পরে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এসে তার স্বামী মৃতদেহ রেখে পালিয়ে যায়।

নিহতের মা রাজিয়া বেগম জানান, স্বামী ও শাশুড়ি মিলে আমার মেয়ে কলিকে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলেছে। আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে ধারণা, নিহত গৃহবধূর গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটা আত্মহত্যা না, এটা পরিকল্পিত হত্যা মনে হচ্ছে। ইতোমধ্যে চরম্বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, উপজেলা ছাত্রলীগ ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নিহত কলি হত্যার বিচার চাই এমন অনেক ব্যানার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করা হয়।

লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকের হোসাইন মাহমুদ জানান, গৃহবধূ কলি নিহতের ঘটনায় তার মা রাজিয়া রেগম বাদী হয়ে শাশুড়ি ও স্বামীকে আসামি করে হত্যা প্ররোচনা মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের শাশুড়ি রিজিয়া বেগমকে আটক করা হয়।

নিহতের স্বামী মামলার ১নং আসামি জিয়াউর রহমান পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ভক্ত চন্দ্র দত্তের নেতৃত্বে একটি টিম কাজ করছে। আমরা শিগগিরই তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। 

উল্লেখ্য, নিহত গৃহবধূ কলির  ঘটনায় নিহতের মা রিজিয়া বেগম বাদী হয়ে শাশুড়ি রাজিয়া বেগম ও তার ছেলে জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা প্ররোচনা মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং ৫১।

পিডিএসও/এসএম শামীম

 

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
লোহাগাড়া,চট্টগ্রাম
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close