আশিক সরকার, কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ)

  ০৪ মে, ২০২১

কামারখন্দে বাণিজ্যিকভাবে হচ্ছে ড্রাগন চাষ

বাণিজ্যিকভাবে সর্বাধিক ড্রাগন চাষ হয় ভিয়েটনামে। ভিয়েতনামের সাথে বাংলাদেশের মাটি ও জলবায়ুর বেশ সাদৃশ্যের কারণে দিন দিন বাংলাদেশেও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ড্রাগন ফলের চাষ।

তাই বিভিন্ন স্বাদের ড্রাগন চাষে বিপ্লব ঘটাতে এবং এ প্রজন্মকে এটা চাষে উৎসাহিত করতে কামারখন্দ উপজেলার বালকুল গ্রামে ৫একর জমিতে ড্রাগন চাষ করছেন নাটোরের মডার্ন হর্টিকালচার সেন্টারের পরিচালক এস এম কামরুজ্জামান।

প্রথমে নাটোরে প্রায় ৭একর জমিতে চাষ করে খুব একটা সফলতা না পেয়ে কামারখন্দের মাটি ড্রাগন চাষের জন্য উপযোগি মনে করে  প্রায় ১৮শ চারা নিয়ে শুরু করেছেন ড্রাগন চাষ।

জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে চারাগুলো লাগানো হলে তা এখন বেশ হৃষ্টপুষ্ট। স্থানীয় দুইজন কর্মচারি জাকিরুল, ছাইফুল ইসলাম ও উপজেলা কৃষি অফিসের সঠিক তত্ত্বাবধানে গাছ এখন ফল ধরার জন্য উপোযোগি।

নাটোরের মডার্ন হর্টিকালচার সেন্টারের পরিচালক এস এম কামরুজ্জামান জানান, আমরা মনে করছি সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ ড্রাগন চাষের জন্য উপযোগি, সেজন্যে এই স্থান আমরা নির্বাচন করেছি। এখানে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ডের ড্রাগনসহ হলুদ, লাল, গোলাপী, কালো, সাদা, কমলা রঙ্গের ড্রাগন রয়েছে।

আমরা আশা করছি স্থানীয় বেকার যুবকেরা এটা থেকে উৎসাহিত হওয়ার পাশাপাশি আমার চাষ বাণিজ্যিক রুপ নেবে। আমাদের মডার্ন হর্টিকালচার সেন্টারে প্রচুর পরিমাণ চারা রয়েছে। কেউ চাইলে সেখান থেকে চারা সংগ্রহ করে নিতে পারে। 

কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাত জানান, এই প্রথম কামারখন্দে কেউ বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষ শুরু করেছে। এতে করে সে ড্রাগন চাষ করে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হবে এবং পাশাপাশি এটা দেখে উপজেলার অনেক চাষি উদ্ভুদ্ধ হবে বলে আমি মনে করি। আমরা নিয়মিত মডার্ন হর্টিকালচার সেন্টারের ড্রাগন চাষের জন্য পরামর্শ দেয়াসহ দেখাশুনা করে যাচ্ছি।

পিডিএসও/এসএম শামীম

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কামারখন্দ,ড্রাগন চাষ
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close