নরসিংদী প্রতিনিধি

  ১৩ জানুয়ারি, ২০২১

আ’লীগের শ্রম ও জনশক্তি উপকমিটির সদস্য হলেন এড. আব্দুল মোমেন চৌধুরী

দলের সভাপতি ও সম্পাদককে ধন্যবাদসহ কৃতজ্ঞতা

আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটিতে এড. আব্দুল মোমেন চৌধুরীকে সদস্য নির্বাচিত করায় নরসিংদীবাসীর পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতি, জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মহেষপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান ঢাকাস্থ রায়পুরা সমিতির ২বারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট বঙ্গবন্ধু আইনজীবি পরিষদের সদস্য এডভোকেট আব্দুল মোমেন চৌধুরী ভৈরব উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ৩ বারের নির্বাচিত মেয়র এডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছের হাত ধরে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে অভিষেক।

এডভোকেট আব্দুল মোমেন চৌধুরী বলেন, জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশের লড়াকু সৈনিক হিসেবে ১৯৮৭-৮৮ সনে ভৈরব হাজী আসমত কলেজের ছাত্রলীগ থেকে জিএস পদে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে জি এস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি, আমাদের পরিষদ নাম ছিল আল-আামিন-মোমেন পরিষদ।

তৎকালিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জিল্লুর রহমান এবং ভৈরব উপজেলা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান ৩ বারের নির্বাচিত মেয়র এডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছের মাধ্যমে ভৈরবের ছাত্রলীগের রাজনীতি কার্য্যক্রম পরিচালনা করতে আমাদের প্রিয় নেতা রাষ্ট্রপতি প্রয়াত আলহাজ্ব জিল্লুর রহমানের সাথে আমরা দেখা করে দলীয় সকল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতাম।

তার পর ৯০ এর আন্দোলনে আমরা নরসিংদী ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে শক্ত ভূমিকা রাখতে গিয়ে অনেক হয়রানীর শিকার হয়েছি। পরবর্তীতে লেখাপড়া করার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে  ১৯৯১-৯২ সালে মাস্টার্স করি। তখন ছাত্রলীগের বিরোধী দলের নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে আমাকে ছাত্রশিবিরের লোকজন আমার উপর কয়েক বার হামলা করে। তাদের অত্যচার নির্য়াতন সহয্য করে ছাত্রলীগের রাজনীতি করতে হয়েছিল।

রায়পুরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আফজাল হোসাইনের উপস্থিতিতে কমিটি গঠন করা হয়, রায়পুরা থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক প্রফেসর নাসির উদ্দিন’র কমিটির সদস্য ছিলাম। পরে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার সময় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম করতে গিয়ে বিএনপি-জামায়াতের হামলা-মামলা মাথায় নিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে ছিলাম।

তৎকালিন নরসিংদী জেলা ছাত্রলীগের সদস্য পরে নরসিংদী জেলা কৃষকলীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে ছিলাম। পরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবি পরিষদের সদস্য হিসেবে ঢাকাতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে যথাযতভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছি।

আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান আমি ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে বর্তমান,  আমার বাবার কামানো অর্থসম্পদ ও লক্ষ লক্ষ টাকা রাজনীতিক কারণে নষ্ট করেছি। শুধু আইনজীবি পেশা ছাড়া আমার অন্য কোন ব্যবসা বাণিজ্য নেই। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রীর শেখ হাসিনার একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে সারা জীবন বেঁচে থাকতে চাই।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির শ্রম বিষয়ক সদস্য হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, জননেত্রী থেকে বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে আমি ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

আওয়ামী লীগ ছাড়া জীবনে অন্য কোন রাজনীতি দলের সাথে জড়িত ছিলাম না। আমি আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের জীবন দিতে প্রস্তুত আছি। আমি কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগসহ সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি বলেন, আমাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির শ্রম বিষয়ক সদস্য পদ দেয়ায় একটি চক্র ইর্শান্বিত হয়ে আমার বিরোদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার করছে। অপপ্রচারের বিরোদ্ধে আমি প্রতিবাদ ও তিব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

পিডিএসও/এসএম শামীম

শ্রম ও জনশক্তি,উপকমিটি,সদস্য
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়