reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ৩১ মে, ২০২৩

সাক্ষাৎকারে বিজিএমইএ সভাপতি মো. ফারুক হাসান

বাজার বড় করতে ম্যানমেইড ফাইবারে ইনসেনটিভ চাই

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মো. ফারুক হাসান। ছবি : প্রতিদিনের সংবাদ

দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস তৈরি পোশাক খাত। কিন্তু বৈশ্বিক মন্দা পরিস্থিতির প্রভাবে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই খাতটিরও রপ্তানি কমে গিয়েছে। এরই মধ্যে চলে এসেছে বাজেট ২০২৩-২৪। বাজেটে পোশাক খাতের উন্নয়নে কোন কোন বিষয়ে সরকারের নজর দেওয়া উচিত তা নিয়ে দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মো. ফারুক হাসান। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক মো. জাহিদুল ইসলাম

প্রতিদিনের সংবাদ : আসন্ন বাজেটে সরকারের কাছে আপনাদের কী ধরনের দাবি থাকবে?

ফারুক হাসান : এই মুহূর্তে পুরো বিশ্বেই অর্থনীতির অবস্থা খারাপ। এটার প্রভাব আমাদের ওপরও পড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার স্পর্শ করলেও গত এক বছরে তা ৩০ বিলিয়নেরও নিচে নেমে এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রা ধরে রাখতে অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের রপ্তানিকে ধরে রাখতে হবে। এত দিন আমরা বিনিয়োগ, রপ্তানি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছি। বর্তমানে আমাদের সদস্যরা শঙ্কিত। তারা নতুন বিনিয়োগে যাচ্ছেন না। বরং যে কর্মীরা আছে তাদের ধরে রাখাই এখন চ্যালেঞ্জ। গত মাসেও আমাদের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ১৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বৈশ্বিক অবস্থার উন্নতি না হলে রপ্তানি কয়েক মাস নেতিবাচক থাকবে। সেক্ষেত্রে আমাদের টিকে থাকার জন্য সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে, এটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আমাদের পক্ষ থেকে দাবি হলো পোশাক খাতের ওপর ১ শতাংশ সোর্স ট্যাক্সের পরিবর্তে আগের মতো ০.৫ শতাংশ করা হোক আগামী ৫ বছরের জন্য। নন কটন অর্থাৎ ম্যানমেইড ফাইবারে আমরা প্রচুর বিনিয়োগ করেছি। এই ক্ষেত্রে রপ্তানি বাড়ানোর বড় সুযোগ আছে। কিন্তু বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এখানে ১০ শতাংশ ইনসেনটিভ চাই। এতে কর্মসংস্থানও হবে, বিনিয়োগও কিছু বাড়বে। পাশাপাশি দাম বাড়িয়েও সরকার যেহেতু বিদ্যুৎ ও গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ দিতে পারছে না তাই সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা করেছি আমরা। এটাকে উৎসাহিত করতে সোলার প্যানেলের ওপর সকব ধরনের ট্যাক্স বাতিল করে ইনসেনটিভ দেওয়া দরকার। পাশাপাশি পরিবেশও দূষণ হবে না। আরেকটি হচ্ছে রিসাইক্লিং পণ্য। আমাদের কটন, পেট্রোক্যামিকেল, ইয়ার্ন এসব আমদানি করতে হয়। আমাদের যে রেস্টটা হয় সেটা জুট, ফ্যাব্রিক্স, শর্ট পিছ, রিজেক্ট গার্মেন্ট এগুলো আবার রিসাইকেল করে আমরা আবার তুলা, সুতা, কাপড়, গার্মেন্ট বানাতে পারি। এতে আমাদের আমদানি কমে যাবে, ডলার সাশ্রয় হবে। যখন এই জুট আমরা ফেলে দিচ্ছি তখন এখান থেকে এনবিআর কোনো ট্যাক্স পাচ্ছে না। কিন্তু যখন সেটা রিসাক্লিং করে ভ্যালু অ্যাড করা হচ্ছে, এক টাকার জিনিসকে ১০ টাকা করা হচ্ছে, মেশিনারি ইনভেস্টমেন্ট করছি, এমপ্লয়মেন্ট করছি আর ইমপোর্ট না করে কাঁচামাল দিয়ে ফিনিস গুডস তৈরি করছি তখন এনবিআর বলছে সেখান থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হবে। পাশাপাশি দক্ষ জনবল তৈরির জন্য কারিগরি শিক্ষায় যেন একটা তহবিল থাকে।

প্রতিদিনের সংবাদ : বাজেটে ম্যানমেইড ফাইবারে ১০ শতাংশ ইনসেনটিভ চাওয়ার কারণ কী?

ফারুক হাসান : আমরা বাজার বড় করতে ম্যানমেইড ফাইবারে ইনসেনটিভ চাই। নতুন বাজারে এক্সপোর্ট করলে আমরা ৪ শতাংশ ইনসেনটিভ পাই; যদিও প্রথম দিকে এটা ৫ শতাংশ ছিল। এর ফলে আমরা নতুন বাজারগুলোতে এক্সপোর্ট ভলিউম বড় করতে পেরেছি। প্রতিবেশী ভারতের মতো নতুন বাজারেও আমরা ১ বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করেছি। তাই প্রতিযোগী মার্কেট থেকে যেন আমরা ছিটকে না পড়ি তাই ইনসেনটিভ চাওয়া। তেমনিভাবে ম্যানমেইড ফাইবারের আইটেমে আমরা অন্যান্য দেশের সঙ্গে যেমন চায়নার সঙ্গে আমরা প্রতিযোগিতা করতে পারি না। কারণ তাদের এই খাতে আয়তন এত বেশি যে, আমাদের যদি কয়েক বছরের জন্য ইনসেনটিভ দেওয়া না হয় তাহলে আমরা এই বাজার ধরা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আমরা আমাদের ইনভেস্টমেন্ট করেছি। মেশিনারিজ কিনেছি, সেগুলো আপগ্রেডেশন করেছি, টেকনোলজির ব্যবহার বাড়াচ্ছি ফেব্রিক্স, ইয়ার্নের জন্য। এখন এক্সপোর্টের ক্ষেত্রে যদি আমাদের একটা ইনসেনটিভ দেওয়া হয় তাহলে আমরা আরো বেশি প্রতিযোগিতায় সক্ষম হব এবং মার্কেট ধরতে পারব।

প্রতিদিনের সংবাদ : প্রতিনিয়ত দেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর ছাড় দিলে গরিব ও নিম্নবিত্তদের ওপর পরোক্ষ করের চাপ বাড়বে। কর ছাড়ের এই দাবি কতটা যৌক্তিক?

ফারুক হাসান : আমি সবক্ষেত্রে কর ছাড়ের কথা বলছি না। এটা হতে হবে স্পেসিফিক এবং পারপার্স বেইজড। দেখতে হবে এই ছাড়ের জন্য নতুন ইনভেস্টমেন্ট হবে কি না, তাহলে এমপ্লয়মেন্ট হবে। ফরেন কারেন্সি আসবে কিনা। তো এমন জায়গায় কর ছাড় দিতে হবে যেখানে আরো বেশি ইনভেস্টমেন্ট হবে, এমপ্লয়মেন্ট হবে এবং ইনডাইরেক্টলি সরকার আরো বেশি ট্যাক্স পাবে। অর্থাৎ যতটা করছাড় দেবে তার চেয়ে বেশি রাজস্ব পাবে। যখন আমার এক্সপোর্ট বাড়বে, তখন আরো বেশি কাভার্ডভ্যান আসবে, হোটেল-রেস্টুরেন্ট চলবে, এমপ্লয়মেন্ট হবে, ব্যাংক-ইন্স্যুরেন্সে লেনদেন বাড়বে, মুনাফা বাড়বে। সরকারের কর আদায়ের ক্ষেত্রে আমি সব সময় যেটা বলে আসছি তা হলো ট্যাক্সনেট বাড়াতে হবে। যারা কর দিতে পারে তাদের সবার কাছে যেতে হবে। শুধু ঢাকা শহরে কিছু মানুষের ওপর এর চাপ না দিয়ে অন্যান্য শহরে যারা প্রচুর টাকা, বাড়ি, জমি ও ব্যবসার মালিক তাদের কাছেও যেতে হবে। তারা অনেক কম ট্যাক্স দেয়, অনেক ক্ষেত্রে দেয়ই না। সুতরাং ট্যাক্স নেট বাড়াতে হবে। তাহলে যে পরিমাণ কর ছাড় দেয়া হবে তার চেয়ে বেশি রাজস্ব আসবে।

প্রতিদিনের সংবাদ : প্রায় ৪০ লাখ মানুষ এই খাতের সঙ্গে জড়িত। তাদের একজন প্রতিনিধি হয়ে আপনি সরকারের কাছে কি দাবি করেন?

ফারুক হাসান : আমি শ্রমিকদের জন্য এই বাজেটে রেশনিং চাই। তাদের জন্য ন্যায্যমূল্যে চাল-ডাল, তেলসহ যেসব জরুরি পণ্য আছে সেগুলো ন্যায্যমূল্যে চাই। এজন্য সরকারকে অনেক খরচ করতে হবে তা নয়। আমরা ফ্রি চাই না, শুধু ন্যায্যমূল্যে চাই। বিভিন্ন হাতঘুরে এই পণ্যগুলো বাজারে যেতে যেতে মূল্য অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু সরকার যদি সরাসরি শ্রমিকদের দেয়, তাহলে তারা ন্যায্যমূল্যে পাবে। এছাড়া শ্রমিকদের জন্য আরো প্রশিক্ষণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ জানাই। এতে তাদের দক্ষতা আরো বাড়বে এবং তারা ওপরের লেভেলে যেতে পারবে। এখন যে পর্যায়ে আছে, তাকে ট্রেনিং করালে সে আরেকটু ওপরের পর্যায়ে যাবে। এতে তারও বেতন বাড়বে। শুধু বেতন বাড়ানোর দাবি দাওয়া নয়, যেহেতু ওয়েজবোর্ড হয়েছে সেক্ষেত্রে বেতন তো বাড়বেই। পাশাপাশি ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে তার স্কিল বাড়ানো। তাতে সে আরেকটু ওপরের পর্যায়ে যাবে।

প্রতিদিনের সংবাদ : কোন কোন বিকল্প উৎস থেকে সরকার রাজস্ব আহরণ বাড়াতে পারে বলে মনে করেন?

ফারুক হাসান : এর জন্য যেটা আগেই বলেছি ট্যাক্স নেট বাড়াতে হবে। গাড়ি বাড়ির মালিকরা সবাই ট্যাক্স নেটের আওতায় আছে কিনা, দেখতে হবে।

প্রতিদিনের সংবাদ : আগামী দিনের জার্নি ১০০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের রপ্তানি ক্রমাগত কমছে। সেক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে কীভাবে লক্ষ্য অর্জন করবেন?

ফারুক হাসান : এ বছর আমাদের এক্সপোর্ট বাড়বে না। বিশ্বব্যাপী মন্দা পরিস্থিতির কারণে কমে যাবে। তবে আমরা নতুন নতুন বাজারে যাচ্ছি। শুধু গার্মেন্ট পণ্যেই ইন্ডিয়া-কোরিয়ার মতো দেশগুলোতে এক্সপোর্ট করছি, প্রোডাক্ট ডাইভারসিফাই করছি। গার্মেন্টের মধ্যে নতুন প্রোডাক্টে যাচ্ছি, যেগুলো আগে করা হয়নি। যেমন- লিঞ্জারি, জ্যাকেট, অ্যাথলেটিক ওয়্যার, স্পোর্টসওয়্যার এ ধরনের আইটেমে যাচ্ছি। পাশাপাশি ভ্যালুঅ্যাডেড আইটেমেও যাচ্ছি। যেমন আগে আমরা একটা শার্ট ৬ ডলারে করতাম, এখন ১২ ডলারের আছে, এমনকি ২০ ডলারেও আছে। ইনোভেশনের মাধ্যমে, ডিজাইন ও ডেভলপমেন্টের মাধ্যমে আমরা হাই ভ্যালু অ্যাড করছি। এভাবে কাজ করলে আমরা লক্ষ্যে যেতে পারব বলে আশা করি।

প্রতিদিনের সংবাদ : সম্প্রতি আমেরিকা আমাদের দেশের জন্য ভিসা নীতিতে পরিবর্তন এনেছে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য। পাশাপাশি ইইউ রাষ্ট্রদূতও জানিয়েছে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তী বাণিজ্যে জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন লাগবে। আমেরিকা ও ইউরোপের এসব পদক্ষেপ আমাদের রপ্তানি বাণিজ্যে কোন প্রভাব ফেলবে কিনা?

ফারুক হাসান : আমেরিকার যে ভিসা নীতি, সেটা একটা পলিটিক্যাল নীতি। যারা ডেমোক্রেটিক ওয়েতে ইলেকশন করতে দেবে না বা যারা বাধা দেবে এটা তাদের জন্য। আমি মনে করি, আমরা ব্যবসায়ীরা এসবের সঙ্গে যুক্ত না এবং ব্যবসায়ীদের ওপর এর কোনো প্রাভাব পড়বে না।

প্রতিদিনের সংবাদ : কিন্তু আমাদের অনেক রাজনীতিবিদ তো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

ফারুক হাসান : এটা ঠিক বলেছেন অনেক রাজনীতিবিদ আছে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু আমি মনে করি আমরা এমন কোনো কাজ করব না যেটা ইলেকশনকে প্রভাবিত করবে এবং যারা ব্যবসা করে তারা এ বিষয়ে কোনো প্রভাবিত করবে বলে আমি মনে করি না। তাছাড়া এমনটা যেন কেউ না করে, সেজন্য সবার প্রতি আমার আবেদন থাকবে। তবে এজন্য যে আমাদের এক্সপোর্টে কোনো সমস্যা হবে, সেটা আমি মনে করি না। আর এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর জিএসপি প্লাসের যে কথাটা এসেছে সেজন্য আমরা আমাদের সাইড থেকে কাজ করে যাচ্ছি। সরকারকেও বলেছি বিষয়গুলো দেখার জন্য। ফলে আশা করছি এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর জিএসপি প্লাস সুবিধা নেওয়ার যখন সময় আসবে তার মধ্যে আমরা সব গুছিয়ে নিতে পারব।

প্রতিদিনের সংবাদ : আগামী নির্বাচন আমাদের রপ্তানি বাণিজ্যের জন্য কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ।

ফারুক হাসান : অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একটা স্ট্যাবিলিটি দরকার, কনফিডেন্স দরকার। বায়াররা দেখতে চান বাংলাদেশে একটা স্ট্যাবল গভর্নমেন্ট আছে। তারা দেখতে চান, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে না। তারা দেখতে চান এখানে সবকিছু স্মুথলি চলছে, ডেভলপমেন্ট চলছে। এগুলো ইলেকশনের সঙ্গে জড়িত, যেমনিভাবে বাজেটের সঙ্গেও জড়িত। তাই আগামী ইলেকশনে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা সহিংসতা না ঘটে এবং অস্বাভাবিক পরিস্থিতি না হয় আমরা সেটাই আশা করি।

প্রতিদিনের সংবাদ : সর্বশেষ জানতে চাই, বাংলাদেশের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ কেমন দেখছেন?

ফারুক হাসান : আগামী দিনগুলোর বিষয়ে বলব, যেহেতু বৈশ্বিক পরিস্থিতি তেমন সুখকর নয়, তারই একটা প্রভাব আমাদের দেশে পড়েছে। আগামীতে এটা আরো বাড়বে বলে মনে করছি। তাই এটা নিয়ে আমরা চিন্তিত। বাজেট যেন এমনভাবে হয় বা নির্দেশনা থাকে যে, আমরা এসব সমস্যা ফেস করতে পারি। সরকার যেন এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়। সঙ্গে সঙ্গে আমি সব রাজনৈতিক দল, সরকারি এবং বিরোধী দল সবাইকে বলব যেন দেশের কথা চিন্তা করে এমন কোনো কাজ যেন না হয় যেটাতে দেশের ক্ষতি হয়, সহিংসতা হয় সেটা বিবেচনা করবেন।

পিডিএসও/এমএ

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
বিজিএমইএ সভাপতি মো. ফারুক হাসান,ম্যানমেইড ফাইবার
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close