reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ০২ জুন, ২০২৪

সাকিব আল হাসান

‘বাংলাদেশের জান, বাংলাদেশের প্রাণ-সাকিব আল হাসান।’ ভক্তরা এভাবেই চেনে কিংবা চিহ্নিত করে থাকেন সাকিব আল হাসানকে। সাকিবকে সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশ দলের নিউক্লিয়াস বলা চলে। তিনি না থাকা মানে বলতে গেলে শক্তি অর্ধেকই কমে যাওয়া। এমন একজন অলরাউন্ডার বিশ্বের যেকোনো দলেই যিনি জায়গা করে নিতে পারেন অনায়াসে। বাংলাদেশ সেদিক থেকে ভীষণ ভাগ্যবান। সর্বকালের সেরা দল করলেও সাকিবকে বাদ দিয়ে সেটা করা যাবে না, মোটা দাগে এমন কথা লিখে দেওয়াই যায়।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার তো এমনি এমনি হননি। নিজেকে এই জায়গায় নিয়ে আসতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে সাকিবকে। এমসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটির প্রথম এবং একমাত্র সদস্য নির্বাচিত হয়ে সাকিব প্রমাণ করেছেন, তিনি শুধু বাংলাদেশেরই নয়, বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা। এই সাকিবকে নিয়ে একটি কথা প্রচলিত, অনুশীলন করেন আর না করেন, মাঠে তার থেকে শতভাগ পাওয়া নিয়ে কোনো সংশয়ের অবকাশ নেই।

তিন ফরম্যাটেই দেশসেরা অলরাউন্ডার। ব্যাটিং, বোলিং বা ফিল্ডিং- সাকিবের কাছে আসলে দলের চাওয়া থাকে তিন ডিপার্টমেন্টেই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যেহেতু, তার পরিসংখ্যানটার দিকেই একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক। প্রায় দেড় যুগের ক্যারিয়ারে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রতিটা আসরেই খেলেছেন। আসরের সর্বাধিক উইকেট শিকারিও সাকিব। ৪৭টি উইকেট নিয়ে আছেন সবার ওপরে। ব্যাট হাতেও সক্ষমতার জানান দিয়েছেন। ৩৫ ইনিংসে ১২২.৪৪ স্ট্রাইকরেটে তিন ফিফটিতে ৭৪২ রান রয়েছে তার নামের পাশে। আছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্যাটসম্যানদের তালিকায় আট নম্বরে। আর অলরাউন্ডার হিসেবে তার অবস্থান সবার ওপরে।

সব মিলিয়ে প্রস্তুতি যেমনই হোক, বিশ্বকাপে সাফল্যের পথে হাঁটতে এই সাকিবের দিকেই তাকিয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি চোখ। কারণ, বিশ্বকাপে তিনিই হয়ে উঠতে পারেন বাংলাদেশের হয়ে মূল গেম চেঞ্জার। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার যদি মাঠে আস্থার প্রতিদানটা দিতে পারেন, তবে হাসিমুখেই দেশে ফিরতে পারবে টাইগাররা।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close