ক্রীড়া ডেস্ক

  ০২ জুন, ২০২৪

দুই দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছেন যারা

ৃচারদিকে বাজতে শুরু করেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দামামা। নর্থ আমেরিকার ডার্বিতে যুক্তরাষ্ট-কানাডা ম্যাচ দিয়ে আজ ভোর সাড়ে ৬টায় শুরু চার-ছক্কার নবম আসরের। দেশের হয়ে বিশ্বমঞ্চে পারফর্ম করতে উন্মূখ থাকেন যেকোনো খেলোয়াড়। নিজ দেশের হয়ে খেলতে পারাকে পরম পাওয়া মনে করেন তারা।

স্বাভাবিকভাবেই দুই দেশের হয়ে বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটা সৌভাগ্যের বিষয়। দুই দলের হয়ে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসরে খেলতে পারাটা অনেক বড় গর্বের। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এ নজিরও আছে। দুই দেশের হয়ে যারা বৈশ্বিক আসরে অংশ নিয়েছেন তাদের নিয়ে আমাদের এ আয়োজন।

ডার্ক ন্যানেস (নেদারল্যান্ডস ও অস্ট্রেলিয়া)

২০০৯ সালে মা-বাবার দেশ নেদারল্যান্ডসের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেন এ বাঁহাতি পেসার। এক বছর পরে হওয়া পরের বিশ্বকাপেই সেই ন্যানেস প্রতিনিধিত্ব করেন জন্মভূমি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে।

রোলোফ ফন ডার মারওয়ে (দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেদারল্যান্ডস)

২০০৯ ও ২০১০ সালে দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলেছেন রোলোফ ফন ডার মারওয়ে। প্রোটিয়া অলরাউন্ডার ২০১৫ সালে মায়ের সূত্রে পাওয়া ডাচ পাসপোর্টের জোরে সুযোগ পেয়ে যান নেদারল্যান্ডস দলে। এরপর ২০১৬, ২০২১ ও ২০২২ সালে নেদারল্যান্ডসের হয়ে খেলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এবার কাউন্টি চুক্তি থাকার কারণে নেদারল্যান্ডস দলে নেই সেই ফন ডার মারওয়ে।

ডেভিড ভিসা (দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়া)

২০১৬ সালে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলেন ডেভিড ভিসা। ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে কলপাক চুক্তিতে ইংলিশ কাউন্টি দল সাসেক্সে যোগ দেন এ পেস বোলিং অলরাউন্ডার। চার বছর পর সেই ভিসা আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরেন নামিবিয়ার জার্সিতে। ২০২১ ও ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নামিবিয়ার প্রতিনিধিত্ব করা ভিসা আছেন এবারের বিশ্বকাপেও।

মার্ক চ্যাপম্যান (নিউজিল্যান্ড ও হংকং)

২০১৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিষেক হংকংয়ের। হংকংয়ের সেই দলে ছিলেন মার্ক চ্যাপম্যান। ২০১৬ বিশ্বকাপটাও হংকংয়ের হয়ে খেলা অলরাউন্ডার ২০১৮ সালে ডাক পান নিউজিল্যান্ড দলে। সেই চ্যাপম্যান ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে থাকলেও সুযোগ পাননি একটি ম্যাচেও। ২০২২ সালে একটি ম্যাচ খেলেই অবশ্য দুটি দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলাদের ছোট তালিকায় ঢুকে যান চ্যাপম্যান। ২৯ বছর বয়সি ক্রিকেটার আছেন এবারের কিউই দলেও।

কোরি অ্যান্ডারসন (নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র)

কোরি অ্যান্ডারসন একসময়ের নিউজিল্যান্ড দলের নিয়মিত মুখ ছিল। তবে এবার খেলবেন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ২০১৮ সালে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামে এ অলরাউন্ডার। এবার যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নেমে অভিষেক হয়ে তার।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close