সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

  ০৩ আগস্ট, ২০২২

২০২২-২৩ অর্থবছর

ভোমরা বন্দরে ১ হাজার ২৬ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে ১ হাজার ২৬ কোটি ২২ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন সম্ভব হলে বিদায়ি অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ৭২ কোটি টাকা বাড়বে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গিয়েছে, জুলাইয়ে ৬৬ কোটি ১৫ লাখ, আগস্টে ৮৪ কোটি ৪১ লাখ, সেপ্টেম্বরে ৯৬ কোটি ৬৯ লাখ, অক্টোবরে ১০০ কোটি ৫৮ লাখ, নভেম্বরে ৯৮ কোটি ৫৬ লাখ, ডিসেম্বরে ৮৪ কোটি ১২ লাখ, আগামী বছরের জানুয়ারিতে ১০৩ কোটি ৯৮ লাখ, ফেব্রুয়ারিতে ৭৪ কোটি ৮২ লাখ, মার্চে ১০০ কোটি ৮৭ লাখ, এপ্রিলে ৮৫ কোটি ২৫ লাখ, মে মাসে ৫৫ কোটি ২৪ লাখ এবং জুনে ৭৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা আদায়ের লক্ষ্য রয়েছে।

সূত্রটি আরো জানায়, গত অর্থবছরে সংশোধিত আকারে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৯৫৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা। তবে গত অর্থবছরে এ বন্দর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আয় করেছিল ৭৪১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। ফলে বিদায়ি অর্থবছরে ঘাটতি ছিল ২১২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজি দিলওয়ার নওশাদ রাজু জানান, অনেক সম্ভাবনাময় হওয়ার পরও ভোমরা বন্দরে রাজস্ব ঘাটতি যাচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হলো বন্দরের পণ্য আমদানিতে নানা ধরনের বিধিনিষেধ থাকা। তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ বন্দর হওয়া সত্ত্বেও ব্যবসায়ীরা সব ধরনের পণ্য আমদানি করতে পারে না। অলআইটেম পণ্য আমদানির অনুমতি দিলে বর্তমান লক্ষ্যমাত্রার কয়েকগুণ বেশি রাজস্ব আয় করা সম্ভব হবে সরকারের। তাছাড়া বন্দরের সক্ষমতাও বাড়ানো দরকার। তিনি বলেন, বন্দরে মালামাল ওঠানামার জন্য ভারী কোনো ক্রেন বা অন্য প্রযুক্তি নেই এখানে।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের দায়িত্বরত কাস্টমসের বিভাগীয় সহকারী কমিশনার আমীর মামুন জানান, বন্দরে ব্যবসা-বাণিজ্য ভালো গেলে আশা করা হচ্ছে নতুন অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়ে যাবে। তবে কিছু সমস্যাও রয়েছে। ভোমরার বিপরীতে পণ্যবাহী ট্রাকে সিরিয়ালের নামে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ বন্ধ করা এবং ভোমরা বন্দরের সক্ষমতা না বাড়ালে লক্ষ্য অধরা থেকে যাবে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close