reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ১৯ জুন, ২০২২

প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে পিডিবিএফের প্রতিবাদ

বিগত ৮ জুন ২০২২, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদণ্ডএর প্রথম পাতায় ‘পিডিবিএফ এমডির বিরুদ্ধে দুর্নীতির শ্বেতপত্র’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এই সংবাদ সম্পর্কে বক্তব্য দিয়েছেন পিডিবিএফ এমডি। তার বক্তব্য- পল্লী দারিদ্র্যবিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) সম্পর্কে সম্যকভাবে অবহিত না হয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও অসত্য তথ্যনির্ভর প্রতিবেদনটিতে একদিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রাধান্য পেয়েছে; অন্যদিকে উপস্থাপিত তথ্যের স্বপক্ষে কোনো সূত্র বা উৎস নির্দেশ করা হয়নি। নৈতিকতানির্ভর সাংবাদিকতার কোনো মানদন্ডেই এরূপ প্রতিবেদন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় শুদ্ধাচার কর্মকৌশলের পরিমাপকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উনয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পিডিবিএফ স্বীকৃতি লাভ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন- এ প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃত নিয়মাচারের অংশ। এতদসত্ত্বেও প্রতিবেদক তার প্রভাবিত অবস্থান থেকে যেসব অসমর্থিত তথ্যের অবতারণা করেছেন, তা পিডিবিএফ কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। সর্বসাধারণের জ্ঞাতার্থে তর্কিত প্রতিবেদনে উল্লিখিত যাবতীয় বিষয়ে বিভ্রান্তি নিরসনের জন্য প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত ৭-পৃষ্ঠার একটি প্রতিবাদলিপি বিগত ১২ জুন পিডিবিএফ-এর ওয়েবসাইট এবং ফেসবুকে প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : পিডিবিএফ স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। তাই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের একক ক্ষমতায় এটি পরিচালিত হয়। ফলে স্বেচ্ছাচারিতাও বেশি থাকে। আর সংবাদটি ভিত্তিহীন ও অসত্যনির্ভর বলে পিডিবিএফ নিজের অপকর্ম ঢাকার চেষ্টা করেছেন। কেননা, সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক এই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন না; তার পরিবারের কোনো সদস্যও সেখানে নেই। তাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে প্রতিবেদন করার কোনো অর্থ হয় না। প্রতিবেদক যথোপযুক্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছেন। আর দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রতিবেদক নিজে প্রকাশ করেননি; পিডিবিএফ-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই প্রকাশ করেছেন। তাই তথ্যনির্ভর প্রতিবেদনকে তথ্যনির্ভরহীন বলার সুযোগ নেই। বা. স.

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close