ঝালকাঠি প্রতিনিধি

  ১৪ অক্টোবর, ২০২১

ড্রাগন চাষে স্বপ্ন দেখছেন আনিসুর

পারিবারিক সচ্ছলতার আশায় বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষ শুরু করেছেন ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের সাংগর গ্রামের চাষি আনিসুর রহমান। এতে প্রান্তিক চাষিদের যেমন সুদিন ফিরবে তেমনি অর্থনীতির কৃষি খাত, অন্যান্য অর্থ উর্পাজনশীল খাতগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলতে সক্ষমতাও অর্জন করবে বলে জানান তিনি। ড্রাগনে ঔষধি গুণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকায় দিন দিন এর কদর বেড়েছে দেশজুড়ে।

সরেজমিন দেখা গেছে, আনিসুর রহমান ২ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ শুরু করেছেন। আট মাস আগে তিনি ১ হাজার ও দেড় মাস আগে আরো ১ হাজার ৫০০সহ ২ হাজার ৫০০ ড্রাগনের চারা রোপণ করেছেন তিনি।

রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের সাংগর গ্রামের চাষি আনিসুর রহমান জানান, পরিত্যক্ত ২ বিঘা জমিতে তিনি ড্রাগন চাষ শুরু করেছেন। এরই মধ্যে কিছু গাছে ফল আসতে শুরু করছে। আগামী বছর পরিপূর্ণ ফল পাবেন বলে আশা করছেন তিনি। মাটি ও আবহাওয়া ড্রাগন চাষের অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হবে বলে আশা তার। সরকারি সহায়তা পেলে আরো বেশি জমিতে ড্রাগনের আবাদ বাড়াবেন বলেও জানান তিনি।

উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির জানান, উপজেলায় এখনো অনেক অনাবাদি জমি রয়েছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার মধ্য দিয়ে অকৃষি জমিগুলো ড্রাগন চাষের আওতায় এনে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করলে গ্রামীণ অর্থনীতি হয়ে উঠবে শক্তিশালী। পাশাপশি বেকারত্ব দূর হয়ে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে গ্রামীণ জনপদে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রিয়াজ উল্লাহ বাহাদুর বলেন, উপজেলায় ২ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ করেছে। নতুন অর্থ বছরে ড্রাগন চাষ লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরো জানান, উপজেলার মাটি ফল জাতীয় চাষাবাদের জন্য অধিক উপযোগী থাকায় এখানকার কৃষক নতুন ফলের আবাদ করছে। মাল্টার সফলতার পর এবার তারা ড্রাগন চাষেও সফলতা আনছে। কৃষকরা যাতে ড্রাগন চাষে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করতে কৃষি অফিস মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে।

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close