আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

  ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

মশার কামড়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

বরগুনার আমতলীতে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন। দিন-রাত মশার উৎপাত চলছে সমান তালে। মশার যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে কয়েল ও বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করেও নিস্তার মিলছে না। এতে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

মশার যন্ত্রণায় দিনের বেলায়ও স্বাভাবিকভাবে কাজকর্ম করা যাচ্ছে না। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে আরো কয়েকগুণ উৎপাত বেড়ে যায়। তখন মশারির মধ্যে কিংবা মশা তাড়ানো উপকরণ ছাড়া বসে থাকা দুরূহ হয়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় রয়েছে শিক্ষার্থীরা। মশার উৎপাতে তারা ঠিকভাবে লেখাপড়া করতে পারছে না।

মশার উপদ্রবে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি উপজেলার ব্যবসায়ীরাও রয়েছে বিপাকে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

আমতলী উপজেলা পরিষদের চারপাশে ডোবা নালাগুলো কচুরিপানায় ভরপুর ও ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চোখের সামনে এ অবস্থার সৃষ্টি হলেও কেউ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে এগিয়ে আসছেন না। ময়লার ভাগাড় থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দুর্গন্ধ ও মশার উৎপাত থেকে বাঁচতে দ্রুত সময়ের মধ্যে জলাশয় ও ডোবা-নালা পরিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

উপজেলার চাওড়া, হলদিয়া, কুকুয়া, সদর ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ৩০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে চাওড়া-সুবন্দি নদী কচুরিপানায় বছরের পর ভরপুর থাকায় পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। মশার বংশবৃদ্ধির কারখানায় পরিণত হয়েছে।

হলদিয়ার কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী আহসান হাবিব রুপম বলেন, মশার কারণে রাতের বেলায় চেয়ার-টেবিলে বসে লেখাপড়া করা কষ্টকর। নিরুপায় হয়ে মশারি টাঙিয়ে বিছানায় বসে লেখাপড়া করতে হচ্ছে। চাওড়ার স্কুলশিক্ষার্থী মাহবুব হাসান বলেন, মশার কামড়ে পড়াশোনা করতে পারছি না। উপজেলা সদরের বাজার এলাকার বাসিন্দা মো. সাহাআলম খান বলেন, মশার অত্যাচারে ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি মিলছে না। দিনের বেলায়ও কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমাতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কাওসার হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, শিগগির মশা নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করা হবে।

 

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close