আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

  ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

অবৈধ ‘চায়না জালে’ দেশীয় মাছ নিধন

বরগুনার আমতলীতে নদী-নালা ও খাল-বিল ছেয়ে গেছে ‘চায়না জালে’। আর এসব জাল দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ডিম দিতে আসা মা ও পোনা মাছ নিধন করছেন এক শ্রেণির মাছ শিকারি। উপজেলার সর্বত্র স্বল্প পানিতে দেখা যাচ্ছে এই জাল। এদিকে মৎস্য অফিস বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বেশকিছু চায়না দিয়ারী জাল পুড়িয়ে দিচ্ছেন।

জেলেরা বলছেন, এমন কোনো মাছ নেই যা এই জালে ধরা পড়ে না। উপজেলার হলদিয়া, চাওড়া, আমতলী সদর, গুলিশাখালী, আঠারগাছিয়া, আড়পাঙ্গাশিয়া, কুকুয়া ইউপির গ্রামের নিচু জমিগুলোতে দেখা গেছে সারি সারি চায়না জাল। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যেখানেই একটু পানি জমেছে সেখানেই এই জাল পাতা হচ্ছে। আর অবাধে ডিমওয়ালা দেশি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা হচ্ছে। জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় মাস মাছের প্রজনন কাল। চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার কারণে নতুন পানিতে মা-মাছ ডিম ছাড়তে পারছে না। এর ফলে প্রাকৃতিকভাবে মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। পোনা মাছও ধরা পড়ছে এই জালে। এভাবে অবাধে ডিমওয়ালা ও পোনা মাছ ধরলে দেশীয় প্রজাতির মাছের অভাব দেখা দেবে।

আমতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সরদার বলেন, উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে এসব নিষিদ্ধ বেশকিছু জাল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও চায়না জাল ও কারেন্ট জাল বিক্রি বন্ধে বিক্রয়কারী ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাওসার হোসেন জানান, মৎস্য অধিদপ্তর এবং উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে চায়না জাল অপসারণে ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া অসাধু মাছ শিকারিদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

 

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close