ব্রেকিং নিউজ

বাঘমারায় মুক্তিযোদ্ধাকে মারধর

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০

বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি

রাজশাহীর বাগমারায় এক মুক্তিযোদ্ধা ও তার ছেলেকে বিলে মাছ ধরার অপরাধে মারধর করে আটকে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিন ঘণ্টা পর পুলিশ ওই মুক্তিযোদ্ধাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে। স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার নির্দেশে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খালিশপুর গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী (৭০) ও তার ছেলে রাজু আহম্মেদ (২৫) জাল নিয়ে বাড়ির পাশে বিলসতি বিলে মাছ ধরতে যান। খবর পেয়ে ওই এলাকার বাসিন্দা আবদুল আলী, বাবু হোসেন, আসলাম আলীসহ ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি নৌকা নিয়ে বিলে যান। তারা নিজেদের বিলের ইজারাদার দাবি করে। বিলে মাছ ধরা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ও তার ছেলে রাজু আহম্মেদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে নৌকার বৈঠা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও তার ছেলেকে পিটিয়ে জখম করে। বাবা-ছেলেকে নৌকায় উঠিয়ে ছোটকয়া এলাকার ইসলামের মোড়ের ইউনিয়ন আ.লীগ নেতা রেজাউল করিমের ব্যক্তিগত চেম্বারে নিয়ে আসে।

মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী অভিযোগ করেন, ছেলেকে নিয়ে মাছ ধরতে গেলে ইউনিয়ন আ.লীগের সম্পাদক রেজাউল করিমের নির্দেশে তার লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তাদের মারধর করে আটকে রাখে।

আ.লীগ নেতা রেজাউল করিম মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ইজারা নেওয়া বিলে মুক্তিযোদ্ধা, তার ছেলে ও অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি সন্ধ্যায় চুরি করে মাছ ধরতে গেলে পাহারাদার তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় পাহারাদারকে অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি মারধর করে পালিয়ে যান। পরে এরশাদ আলী ও তার ছেলেকে ধরে নিয়ে আসা হয়েছিল।

বাগমারা থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, মৎস্যজীবী সমিতিকে বিলটি ইজারা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে সেখানে মাছ ধরা নিষেধ রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ মুক্তিযোদ্ধা ও তার ছেলেকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে। তাদের মারধর করা হয়নি।

 

 

"