খুবিতে মেসমালিকের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ

প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০

খুবি প্রতিনিধি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) সংলগ্ন ইসলামনগর রোডের মেস মালিক চম্পার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ উঠেছে। গত একমাস ধরে মেস মালিকের কাছেই মেসের চাবি গচ্ছিত ছিল। গত শনিবার মেস থেকে ক্যামেরা, একাডেমিক কাগজসহ আরো বিভিন্ন জিনিস খোয়া গেছে বলে জানায় ওই মেস মালিক। অথচ মেসের তালা অক্ষত, ঘরের ভেতরেও চুরির কোনো আলামত নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্ট মেকিং ডিসিপ্লিনের ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আকিফ মাহমুদ এলভিন। শনিবার বিকেলে মেস মালিক চম্পা তাকে ফোন দিয়ে জানান যে, মেসে চুরি হয়েছে। ভুক্তভোগী সরেজমিন এসে দেখেন, ক্যামেরা (দুটি), ট্রাইপড, মডেম, রাউটার, অনু, আসবাবপত্র, রাইসকুকার, ফ্যান, ল্যাপটপের কুলিং প্যাড ও সাউন্ড বক্স মেসে নেই। এছাড়া ল্যাপটপ ও প্রিন্টার ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। পরবর্তী সময়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী মিলে ওই মেস মালিকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি চাপের মুখে একটি ক্যামেরা, রাইসকুকার, সাউন্ড বক্স, ট্রাইপড ও কিছু আসবাবপত্র ফেরত দেন।

এ বিষয়ে আকিফ মাহমুদ এলভিন বলেন, মেস মালিক চুরি হয়েছে বলে দাবি করলেও আমি মেসে কোনো চুরির আলামত পাইনি। এদিকে আমার আনুমানিক ৭৫ হাজার টাকার মালপত্র খোয়া গেছে।

আরো জানা গেছে, গত একমাস ধরে মেসের তালার চাবি মেস মালিকের কাছেই রাখা ছিল। মেসে যেসব জিনিসপত্র পাওয়া যাচ্ছে না সেসব জিনিস নিতে হলে অন্তত জানালার গ্রিল ভাঙতে হবে অথবা মেসের তালা ভেঙে নিতে হবে। অথচ মেসে গ্রিল কিংবা তালা কোনোটিই ভাঙা হয়নি। শিক্ষার্থীদের দাবি, মেস মালিকই সুযোগ বুঝে এসব জিনিস সরিয়েছেন।

কেন চুরির কোনো আলামত নেই এ বিষয়ে মেস মালিক চম্পাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি ওই বাড়িতে থাকি না। তাই এই ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না।

এই বিষয়ে হরিণটানা থানার এসআই সুজিত মিস্ত্রি বলেন, ঘটনাস্থল প্রাথমিকভাবে পরিদর্শনের পরে ঘটনাটি আমাদের কাছে চুরির ঘটনা বলে মনে হয়নি। ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলেই আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

 

 

"