দাম্পত্য কলহ মীমাংসার কথা বলে গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে ‘ধর্ষণ’

পিরোজপুরের কাউখালী

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২০, ০০:০০

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

পিরোজপুরের কাউখালীতে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া-মীমাংসা করে দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে পাশের নির্মাণাধীন ভবনে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত সোমবার রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে ওই রাতে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত জালাল হোসেন হাওলাদার (৪৫) উপজেলা সদর ইউনিয়নের বাশুরী গ্রামের নবীর উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার গোনম্যান গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে এক বছর আগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার এক নওমুসলিম যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক সূত্রে বিয়ে হয়। ওই যুবক ধর্মান্তরিত হলেও এ বিয়ে মেনে নেয়নি তরুণীর পরিবার। ২২ দিন আগে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাশুরী গ্রামের জনৈক নাছির মাস্টারের বাড়িতে ভাড়া থাকতে শুরু করেন ওই দম্পতি। বাড়ির মালিক নাছির মাস্টার উপজেলা সদরের আরেকটি বাড়িতে থাকা নেহেরু বেগমের তত্ত্বাবধান করেন।

এদিকে দাম্পত্য কলহের জের ধরে কয়েক দিন আগে স্ত্রীকে রেখে গা-ঢাকা দেন যুবক। এ সুযোগে গত সোমবার রাত ১১টার দিকে স্থানীয় জালাল হাওলাদার তাদের দাম্পত্য কলহ মীমাংসার কথা বলে বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক নেহারু বেগমের কাছ থেকে গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে নাছির মাস্টারের অপর নির্মাণাধীন একটি ভবনে ধর্ষণ করেন। এ সময় ওই গৃহবধূর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে জালাল হোসেন পালিয়ে যান।

ঘটনার পর অভিযুক্ত জালাল হাওলাদার পলাতক আছেন। এ ব্যাপারে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ জানান, তার স্বামী ওই বাড়িতে আছেনÑ এমন কথা বিশ্বাস করে তিনি ওই জালালের সঙ্গে গেছেন।

কাউখালী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনার পর ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার গৃহবধূ থানায় একটি ধর্ষণের মামলা করার পর বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক নেহেরু বেগমকে আটক করা হয়েছে।

 

"