মনোহরদীতে ১৭ প্রতিবন্ধীর ভাতার অর্ধেকই কেড়ে নিলেন ইউপি সদস্য

প্রকাশ | ০৬ আগস্ট ২০২০, ০০:০০

মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর মনোহরদীতে ১৭ প্রতিবন্ধীর ভাতা ৯ হাজার টাকা থেকে জোরপূর্বক ৫ হাজার টাকাই কেড়ে নিয়েছেন এক সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য ও তার স্বামী। উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য সালমা সুলতানা ও তার স্বামী আবুল কালাম আজাদ ফারুকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে টাকা ফেরতসহ অভিযুক্তদের বিচার দাবি করেছেন ভূক্তভোগীরা। এদিকে ঘটনার পর ভূক্তভোগীদের বক্তব্যসহ কয়েকটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

উপজেলা সমাজসেবা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে খিদিরপুর ইউনিয়নে ২৭৯ জন প্রতিবন্ধীকে সরকার প্রদত্ত প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর আওতায় আনা হয়। এর মধ্যে ১৭ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির নাম তালিকাভুক্ত করেন ইউপি সদস্য সালমা সুলতানা। গত ৩০ জুলাই সোনালী ব্যাংকের রামপুর শাখা থেকে নতুন ভাতাভোগী প্রত্যেককে ৯ হাজার টাকা করে ভাতা প্রদান করা হয়।

ভূক্তভোগী মনোয়ারা, দেলোয়ারা, পাপিয়া, নাছিমা আক্তার, নার্গিস আক্তার এবং আব্দুল মালেক জানান, ভাতার এসব টাকা উত্তোলন করে ফেরার পথে ইউপি সদস্য সালমা ও তার স্বামী ফারুক প্রত্যেকের কাছ থেকে জোরপূর্বক ৫ হাজার টাকা কেড়ে নেন।

স্থানীয়রা জানান, এ আগে এলাকায় প্রতিবন্ধী, বিধবা ও বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে জনপ্রতি ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ওই ইউপি সদস্য ও তার স্বামী।

পীরপুর গ্রামের ভাতাভোগী নার্গিস আক্তার বলেন, ‘ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে বাড়ি ফেরার পথে মেম্বারনী সালমা এবং তার স্বামী ফারুক আমার কাছ থেকে জোর করে ৫ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। প্রতিবাদ করলে আমাকে মারধরের হুমকী দেওয়া হয়। আমি তাদের বিচার চাই।’

 

 

"