নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

  ১০ জুলাই, ২০২৪

নদীদূষণে সিটি করপোরেশন কিছুটা দায়ী : মেয়র আইভী

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন, নদীদূষণে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন কিছুটা দায়ী। কারণ আমাদের যত বর্জ্য আছে তা ড্রেনের মাধ্যমে নদীতে ফেলা হয়। আমরাই সবার আগে প্রস্তাব দিয়েছি ইটিপির মাধ্যমে পানি নদীতে ফেলতে চাই। কিন্তু এর জন্য অর্থ দরকার, সেই ফান্ড কেউ দিচ্ছে না আমাদের।

হাইকোর্টের রায় আছে নদীর তীরবর্তী জায়গা স্থানীয় সিটি করপোরেশন বা পৌরসভাকে দিতে হবে। সেখানে সবুজায়ন, খেলার মাঠ করতে হবে। আমরা নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছিলাম জায়গার জন্য। মন্ত্রণালয় বিআইডব্লিউটিএকে নির্দেশনা দিলেও সেই জায়গা আমাদের দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে সেই জায়গা দখল করেছি আমরা।

গতকাল মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ শহরের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগারে আয়োজিত ‘নদীতে শিল্প দূষণ রোধে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন।

এ সময় মেয়র আইভী আরো বলেন, ২০০৯ সালে নারায়ণগঞ্জের চিত্তরঞ্জন পুকুর রক্ষা করার জন্য বেলার শরণাপন্ন হয়েছিলাম। তাদের মাধ্যমে রায় পেয়ে সেই পুকুরটি রক্ষা করতে পেরেছি। আমরা যারা মেয়র নির্বাচিত হয়ে এসেছি তাদের আসলে ক্ষমতা খুবই সামান্য। চাইলেও অনেক কিছু করতে পারি না।

বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, কারখানার দূষণের বিষয়গুলো সরকার অবগত রয়েছে। কিন্তু কোন প্রক্রিয়ায় এই দূষণ রোধ করা সম্ভব এবং কীভাবে তা করতে হবে সেই বিষয়ে আমাদের সরকারকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি ভূমিকা রাখতে হবে। আমরা আগামী নভেম্বরে পরিবেশ ও নৌ মন্ত্রীকে নারায়ণগঞ্জ এনে এই দূষণের বিষয়গুলো তাদের সামনে তুলে ধরতে চাই।

লোকবলের অভাব এটা উল্লেখ করার মতো যুক্তি নয়, দেশের মানুষকে কাজে লাগাতে পারলে লোকবলের অভাব হবে না। যেসব প্রতিষ্ঠান দূষণ করছে কীভাবে তাদের দূষণ না করে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় আসতে বাধ্য করা যায় সেই কাজটিই পরিবেশ অধিদপ্তর ও কলকারখানা অধিদপ্তরের দায়িত্ব। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন নাসিক সিও জাকির হোসেন, নদী রক্ষা কমিশনের সহকারী প্রধান (পরিবেশ) সাকিব মাহমুদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফেরদৌস আনোয়ার, এলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা প্রমুখ।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close