reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

শেকৃবিতে মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

‘নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’- স্লোগান সামনে রেখে শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) শেকৃবির বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলসংলগ্ন পুকুরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পুকুরে রুইজাতীয় ১১০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া। মৎস্য অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ, একোয়াকালচার অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন শেকৃবির ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম, মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক শামীম আরা বেগম, ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক জিল্লুর রহমান, ঢাকা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বি এম মোস্তফা কামাল, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের ডিন প্রফেসর ড. অলোক কুমার পাল, কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. পরিমল কান্তি বিশ্বাস, শেকৃবির ফিশারিজ, একোয়াকালচার অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এম শাহাবুদ্দিন, গবেষণা পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আবদুর রাজ্জাক, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন, ফিশারিজ, একোয়াকালচার অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের অন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক আল শামসুল হক ও মৎস্য অধিদপ্তরের অন্য কর্মকর্তারা।

সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে শেখ কামাল ভবনে অবস্থিত ফিশারিজ, একোয়াকালচার অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের সভাকক্ষে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ফিশারিজ, একোয়াকালচার অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এম শাহাবুদ্দিন। 

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শেকৃবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন শেকৃবির ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম ও মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক শামীম আরা বেগম। 

আলোচনা সভায় শেকৃবির ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, মৎস্যবিজ্ঞানী, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সম্প্রসারণ কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণেই মাছ উৎপাদনে আজ বিপ্লব হয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছেন বলেই মাছ চাষে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। আমরা বর্তমানে দৈনিক চাহিদার (৬০ গ্রাম) স্থলে (৬২ গ্রাম) অতিরিক্ত মাছ খেতে পাচ্ছি। এখন আমাদের নিরাপদ মাছ উৎপাদনের দিকে মনোনিবেশ করতে হবে, মাছ উৎপাদানে যেন মানবদেহের জন্য কোনো ক্ষতিকর হরমোন বা মেডিসিন ব্যবহার না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা রপ্তানির জন্য মাছ উৎপাদনে যেভাবে সতর্ক হব একইভাবে দেশের মানুষের জন্য মাছ সরবরাহ নিশ্চিত করব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close