অপপ্রচার চালালেই মামলা

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বহুল আলোচিত নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদে সরব দেশের ফুটবলপ্রেমীরা। তবে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ, উদ্দেশ্য প্রণোদিত, মানহানিকর, আক্রমণাত্মক ও অপমানজনক পোস্ট, বিবৃতি ও ভিডিওবার্তা প্রদান করে এবং প্রদানে উৎসাহিত করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বাফুফেকে হেয় করার চেষ্টা করলে ডিজিটাল আইনে মামলা করবে ফেডারেশন।

বাফুফের পক্ষে এমনই একটা লিগ্যাল নোটিস জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম এইচ তানভীর বাফুফের পক্ষে এ আইনি নোটিস জারি করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আইডি, গ্রুপ, পেজ এবং ওয়েবসাইট ব্যবহার করে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচার ও পরিবেশন করছেন যারা, তাদের বিরুদ্ধেই আইনি ব্যবস্থা নেবে ফেডারেশন। ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ১০টি আইডি চিহ্নিত করা হয়েছে। আইনি নোটিসের অভিযোগগুলোর মধ্যে উল্লেখিত হচ্ছে

(১) গত ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে ‘বাফুফে নির্বাচন-২০২০’ শিরোনামে একটি পোস্ট প্রকাশ হওয়ার পর তার কমেন্ট বক্সে কিছু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা কুরুচিপূর্ণ, অসৌজন্যমূলক, উদ্দেশ্য প্রণোদিত, মানহানিকর, আক্রমণাত্মক ও ভিত্তিহীন মন্তব্য করেছেন।

(২) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর হতে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা বিভিন্নভাবে ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করে, ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে বাফুফের নাম, লোগো, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ছবি, ভিডিও ফুটেজ অনুমতি ব্যতীত যত্রতত্র ব্যবহার করে বাফুফের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ, উদ্দেশ্য প্রণোদিত, অসৌজন্যমূলক, মানহানিকর, আক্রমণাত্মক, ভিত্তিহীন মন্তব্যসহ ফেসবুক লাইভ, আন্দোলন, মানববন্ধন, অনশন, বিভিন্ন কর্মসূচির নামে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা বাফুফের নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট না হয়েও নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। ফিফার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজেও একই ধরনের মন্তব্য করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে হেয় করেছে।

(৩) বাফুফে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এর কার্যক্রম জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিস্তৃত। তাই দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য দেশ ও আন্তর্জাতিকভাবে এর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে। যা সংক্রিয়ভাবে রাষ্ট্রের ওপর বর্তায়। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের এই আইনগত বিজ্ঞতি দ্বারা জানানো যাচ্ছে যে, দায়িত্বশীল হয়ে গঠনমূলক, সৌজন্যমূলক ও উপদেশমূলক মন্তব্য করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

(৪) এ নোটিস প্রদানের পর থেকে ওপরে উল্লেখিত কর্মকা- থেকে বিরত না থাকলে তারা/তাদের বিরদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ অনুযায়ী ও বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। (৫) এই আইনি নোটিসের অনুলিপি মহাপুলিশ পরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, ঢাকা জেলা প্রশাসক, র‌্যাবের মহাপরিচালক ও ঢাকা মেট্রোপুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনকে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

 

"