কষ্টের জয়ে খাতা খুলল পিএসজি

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

দুই ম্যাচ খেলে ফেললেও প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) নামের পাশে ছিল না কোনো পয়েন্ট। লিগ ওয়ানের তৃতীয় ম্যাচেও জয় না পাওয়ার শঙ্কায় ছিল টমাস টুখেলের দল। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে লক্ষ্যভেদ করে ফরাসি লিগ চ্যাম্পিয়নদের স্বস্তি পাইয়ে দেন ইউলিয়ান ড্রাক্সলার।

পরশু রাতে ঘরের মাঠ পার্ক দে প্রিন্সেসে মেসের বিপক্ষে ১-০ গোলে জিতেছে পিএসজি। নেইমার-কিলিয়ান এমবাপ্পেদের ছাড়া খেলতে নামা দলটি পুরো ম্যাচে ছিল চালকের আসনে। তবে জয় নিশ্চিত করতে তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।

লিগ ওয়ানের শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে শুরুতেই হোঁচট খাওয়া পিএসজি অবশেষে পেয়েছে গোল ও জয়ের দেখা। তিন ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার ১৫ নম্বরে উঠে এসেছে দলটি। সমান ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রেনেঁর অবস্থান। গোল ব্যবধানে পিছিয়ে পরের দুটি স্থানে রয়েছে যথাক্রমে মোনাকো ও লিলঁ।

আগের ম্যাচে তিনটি লাল কার্ড দেখা পিএসজিকে এদিনও ভুগতে হয়েছে একই কারণে। ৬৫তম মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয় ডিফেন্ডার আবদু দিয়ালোকে। এরপর ৮৪তম মিনিটে আরেক ডিফেন্ডার হুয়ান বার্নাত চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। ফলে শেষ কয়েকটি মিনিটে মাত্র ৯ জন নিয়ে খেলতে হয়েছে স্বাগতিকদের।

পিএসজির সেরা দুই তারকার অভাব পুষিয়ে দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন ডি মারিয়া। গোটা ম্যাচে ছিল আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের সরব উপস্থিতি। সতীর্থদের জন্য তিনি একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি পাবলো সারাবিয়া-মাউরো ইকার্দিরা। বিশেষ করে, আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার ইকার্দি নামের প্রতি একটুও সুবিচার করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দেন মূল একাদশে ফেরা জার্মান তারকা ড্রাক্সলার। তার জয়সূচক গোলেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন ডি মারিয়া।

ম্যাচের ৭২ শতাংশ সময়ে বল দখলে রেখে মুহুর্মুহু আক্রমণে মেৎজের রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত রাখে পিএসজি। মোট ২০টি শট নেয় তারা, যার আটটি ছিল লক্ষ্যে। তা ছাড়া, প্যারিসিয়ান ফরওয়ার্ডদের ব্যর্থতার বিপরীতে অতিথি গোলরক্ষক আলেকজান্দ্রে ওকিজা ছিলেন দারুণ ছন্দে। সবমিলিয়ে সাতটি সেভ করেন তিনি। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।

যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে বাম প্রান্ত দিয়ে ডি-বক্সে বল ফেলেন ডি মারিয়া। ঝাঁপিয়ে পড়ে তা ফিরিয়ে দেন ওকিজা। কিন্তু বিধি বাম। বল খুঁজে নেয় অরক্ষিত ড্রাক্সলারকে। লাফিয়ে হেড করে মেৎজের হৃদয় ভেঙে নিজ দলের সমর্থকদের উল্লাসে মাতান তিনি।

 

 

"