নিজস্ব প্রতিবেদক

  ২৪ জুন, ২০২৪

আ.লীগের একেকটি পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বাঙালির প্রতিটি অর্জনই এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে। জন্ম থেকে আওয়ামী লীগের একেকটি পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সবসময় সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে ছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু বারবার এ দলকে আঘাত করা হয়েছে, নিশ্চিহ্নের চেষ্টা হয়েছে। বারবার আঘাত এলেও এ সংগঠনের কোনো ক্ষতি করতে পারেনি। যতবার আঘাত এসেছে, ততবারই ফিনিক্স পাখির মতো জেগে উঠেছে। বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা কখনো পরাভব মানে না, মাথানত করে না। আগামীতেও করবে না। গতকাল রবিবার রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্লাটিনামজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের শক্তি অপরিসীম। আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করে। সংগঠন শক্তিশালী হলে আর জনসমর্থন থাকলে যতই ষড়যন্ত্র হোক, কেউ কিছু করতে পারবে না। আর যেকোনো সময় মৃত্যু আসতে পারে, কিন্তু আমি মৃত্যুকে ভয় করি না। যতক্ষণ শ্বাস আছে, ততক্ষণ দেশের জনগণের ভাগ্যে পরিবর্তনে কাজ করে যাব। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমার বাবার যে চিন্তা-চেতনা, তা বাস্তবায়ন করে এদেশের মানুষকে একটা উন্নত জীবন দেব- এটাই আমাদের লক্ষ্য। আওয়ামী লীগকে আরো শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করে গড়ে তোলার জন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে টানা চতুর্থবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমার একটাই আবেদন থাকবে আমাদের সংগঠনের প্রতিটি নেতাকর্মীর কাছে, সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে হবে। যেকোনো একজন রাজনীতিবিদের জীবনে সংগঠনটা হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যদি সংগঠন শক্তিশালী হয় আর দেশের গণমানুষের সমর্থন পাওয়া যায়, যতই ষড়যন্ত্র হোক, সফল হওয়া যায়। এর আগে বিকেল ৩টা ৩৬ মিনিটে সভামঞ্চে আসেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্লোগান দিয়ে তাকে বরণ করে নেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের নেতাকর্মীদের বলেন, প্রত্যেক নেতাকর্মীকে এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বলব, আপনারা একবার চিন্তা করে দেখেন, এ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কত কষ্ট করেছে। বারবার আঘাত এসেছে। পরিবারগুলো কষ্ট করেছে। কিন্তু এ সংগঠন ধরে রেখেছে। কাজেই যেমন সংগঠন করতে হবে, সেভাবে জনগণের আস্থা-বিশ্বাস, যেটা আমাদের মূল শক্তি সেই আস্থা-বিশ্বাসটা অর্জন করতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের সেই আস্থা-বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছি বলেই বারবার জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে। বারবার ক্ষমতায় এসে, দীর্ঘসময় বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে। আর গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই আজকে আর্থসামাজিকভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশের উন্নতি হচ্ছে। বাংলাদেশ আজকে বিশ্বদরবারে রোলমডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বিশ্বে আজ মাথা উঁচু করে চলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ আস্থা-বিশ্বাস ধরে রেখেই আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, ২১০০ সাল পর্যন্ত আমরা ডেল্টাপ্ল্যান রূপকল্প ঘোষণা করেছি। অনেক বয়স হয়েছে, ততদিন হয়তো বেঁচে থাকব না। কিন্তু আজকে যারা নবীন, যারা আমার স্মার্ট বাংলাদেশের মূল সৈনিক হবে। আমরা স্মার্ট জনগোষ্ঠী গড়ে তুলব, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট সোসাইটি গড়ে তুলে, এ বাংলাদেশ বিশ্বে মাথা উঁচু করে এগিয়ে যাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্লাটিনাম জুবিলিতে- এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা। মৃত্যুকে পরোয়া করেন না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মৃত্যু যেকোনো সময় সবার হতে পারে। যেকোনো সময় মৃত্যু আসতে পারে। তার জন্য আমি কোনোদিন ভীত নই। কখনো ভয় পাইনি, পাব না। কিন্তু যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ আঁশ। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমার বাবার যে চিন্তা-চেতনা, তা বাস্তবায়ন করে এদেশের মানুষকে একটা উন্নত জীবন দেব। এটাই আমাদের লক্ষ্য। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠা পাওয়া আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা পায় বাংলাদেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া এ দলে এখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার মেয়ে শেখ হাসিনা, যিনি টানা চার মেয়াদে সরকার পরিচালনা করছেন।

দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হককে স্মরণ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা সন্ত্রাসবাদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্ত্রের ঝনঝনানি, দুর্নীতি করেছে। তারা জনগণের শক্তি ভুলে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করে। তিনি বলেন, আজ বাঙালির যতটুকু অর্জন, এ অর্জনগুলো আওয়ামী লীগের দ্বারাই। কিন্তু বারবার এ দলের ওপর আঘাত এসেছে। বারবার এ দলকে খণ্ড-বিখণ্ড করা হয়েছে। বারবার এ দলকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। ১৯৫৮ সালে সেই আইয়ুব খানের মার্শাল ল’ থেকে শুরু করে বারবার আঘাত এসেছে। আওয়ামী লীগ জনগণের অধিকার আদায়ের সংগঠন। বেশি দিন আগের কথা নয়, ২০০৭ সালেও চেষ্টা করা হয়েছিল আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করে নতুন কিংস পার্টি গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেটাও সফল করতে পারেনি। তিনি বলেন, এর মূল কারণ হচ্ছে, আওয়ামী লীগের মূল শক্তি হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ, সাধারণ জনগণ, তৃণমূলের মানুষ, আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মী, মুজিব আদর্শের সৈনিক। এ সৈনিকরা কখনো পরাভব মানে না, মাথা নত করে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আকাশে মিটি মিটি তারা জ্বলে, তারা আলোকিত হয় কার দ্বারা? সূর্যের আলোয় আলোকিত হয়। যেসব নেতারা আওয়ামী লীগ ছেড়েছিলেন তারা ভুলে গিয়েছিলেন দলের কথা। অথচ তারা আলোকিত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ছিলেন বলেই। চলে যাওয়ার পর ওই তারা আর জ্বলেনি। অনেকেই কই নিভে গেছেন। কেউ ভুল বুঝে ফিরে এসেছে, আমরা নিয়েছি। আবার কেউ কেউ এখনো আওয়ামী লীগের ও সরকারের পতন কল্পনা করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য, যা আমরা প্রমাণ করেছি। আমরা জনগণের সেবক হয়েই তাদের ভাগ্যে পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছি। সারা দেশে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যাপক জাঁকজমক ও উৎসবমুখর পরিবেশে আওয়ামী লীগ তাদের ‘প্লাটিনাম জুবিলি’ উদযাপন করছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আলোচনা সভার শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘গৌরবময় পথ চলার ৭৫ বছরে আওয়ামী লীগ, সংগ্রাম সংকল্প সতত শপথে জনগণের সাথে’। সমাবেশের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ফটকগুলো দুপুর সাড়ে ১১টায় খুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেন।

সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের ছাড়াও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, ওয়ার্কার্স পাটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীসহ ১৪ দলের নেতারা অতিথি গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন। দলের শীর্ষনেতাদের মধ্যে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, আবদুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, সিমিন হোসেন রিমি, এ এইচ এম খায়রুজামান লিটন, সৈয়দা জেবুন্নেছা হক মঞ্চে ছিলেন। পরে সমাবেশে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতে পরিবেশন করা হয় আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর থিমসং। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ১৯৪৮ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে দলটির নেতৃত্বে মহান স্বাধীনতা অর্জন, পঁচাত্তর-পরবর্তী পেক্ষাপট, ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার ফিরে আসা, দলকে সুসংগঠিত করা, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে দেশের উন্নয়ন-অর্জন তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে নাচ ও গান পরিবেশন করা হয়। সাংস্কৃতিক পর্ব পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল। আওয়ামী লীগের প্লাটিনামজয়ন্তীতে সূর্যোদয়ের সময় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৭টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল শ্রদ্ধা জানান।

শেখ হাসিনা রাজনীতির জাদুকর - ওবায়দুল কাদের : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘পয়েট অব পলিটিকস’ আখ্যায়িত করা হয়েছিল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যাকে আজ আমরা বলি, তিনি হচ্ছেন ‘ম্যাজিশিয়ান অব পলিটিকস’ (রাজনীতির জাদুকর)। স্বাধীনতা বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ অর্জনের জনক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এদেশে দুটি লিগ্যাসির জন্ম হয়েছে। একটা লিগ্যাসি স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধু। তিনি আজ নেই, কিন্তু তার লিগ্যাসির মৃত্যু নেই কোনোদিন। আরেকটি লিগ্যাসি আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তি। এটি ধারণ করে আছেন আমাদের সভাপতি শেখ হাসিনা। যতদিন এ বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু নেই, শেখ হাসিনা অমর হয়ে থাকবেন।

আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আসা সবাইকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়ে কাদের বলেন, যারা স্বাধীনতার আদর্শে বিশ্বাস করেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেন, দেশের সব পর্যায়ের মানুষ, রাজনৈতিক নেতারা, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি সবার কাছে আমি আহ্বান জানাই, আমাদের ভুল-ত্রুটি নেই, তা আমরা বলব না। তারপরও শেখ হাসিনাই বাংলাদেশের জনগণের একমাত্র আস্থার ঠিকানা। আসুন, আমরা সবাই মিলে তার হাতকে শক্তিশালী করি। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার উন্নয়ন অনেকে দেখতে পায় না। আজ একটি দল অন্তর্জ্বালায় জ্বলছে। তারা দিনের আলোয় রাতের অন্ধকার দেখে। পূর্ণিমার রাতে অমাবস্যার অন্ধকার দেখে। তারা উন্নয়ন দেখতে পায় না। তিনি আরো বলেন, তারা আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের শত্রু। তারা দেশে স্বৈরশাসন চালু করেছিল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নির্বাসনে পাঠিয়েছিল, জয় বাংলাকে নিষিদ্ধ করেছিল। ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্টের যারা মাস্টারমাইন্ড, সেই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের আজ ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close