নিজস্ব প্রতিবেদক

  ২২ জুন, ২০২৪

হজের ফিরতি ফ্লাইট শুরু

হৃদয় আর ঊর্মি দুই ভাই-বোন ফুল হাতে দাঁড়িয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল দুইয়ের যাত্রী আগমনের গেটে। অপেক্ষা সৌদিফেরত মা-বাবাকে অভ্যর্থনা জানানো। কিছুক্ষণ পরই এলো কাঙ্ক্ষিত সেই মুহূর্ত। মা-বাবাকে পেয়ে আনন্দে চোখে পানি তাদের। আলিঙ্গনে ঘুচল ৪০ দিনের দূরত্ব। মনে হলো হাজার বছরের অপেক্ষার অবসান ফুরাল তাদের।

হৃদয় বলেন, প্রথম যখন গেছে, তখন কষ্ট হয়েছে। তবে মোবাইলের যুগে ভিডিওকলে কথা হয়েছে। এরপর থেকে কাউন্ট-ডাউন শুরু করেছি কবে আসবে। এখন বিমানবন্দরে দূর থেকে মা-বাবাকে দেখার পর অনুভূতি প্রকাশ করার মতো নয়। মা-বাবার চোখে-মুখে তখনো লেপ্টে আছে আল্লাহর ঘর দেখার প্রশান্তি। তারা বললেন, হাজরে আসওয়াদে চুমু খাওয়ার গল্প। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোয় যেন সন্তানরাও যেতে পারে, সেই দোয়া করলেন।

হৃদয়ের বাবা বলেন, হজ করে সন্তুষ্ট আমি। নিয়ত করেছি সন্তানদের নিয়ে হজ করতে যাব। গতকাল শুক্রবার ভোর পৌনে ৬টায় ৪১৭ হাজি নিয়ে ঢাকায় নামে হজের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট। তাদের স্বাগত জানাতে স্বজনদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বেবিচক চেয়ারম্যান, বিমানের এমডিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় হাজিদের। এয়ারপোর্টেই দেওয়া হয় জমজমের পানি। হাজিদের একজন বলেন, সবকিছু ঠিকমতো করে আসতে পেরেছি। আল্লাহর রহমতে কোনো সমস্যা হয়নি।

প্রথম ফিরতি ফ্লাইটের যাত্রীদের বরণ করে নিয়ে সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান বলেন, রোড টু মক্কার চুক্তির পুরোপুরি সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ। আর ফিরতি ফ্লাইটগুলোও কোনোরকম জটিলতা ছাড়াই শেষ করতে চায় বিমান। রোড টু মক্কার কারণে হাজিরা সহজে হজে যেতে পারছেন হজ ক্যাম্প থেকে সরাসরি। সৌদি পৌঁছে কোনো ইমিগ্রেশনের ঝামেলা নিতে হচ্ছে না তাদের। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এমডি মো. জাহিদুল ইসলাম ভূঞা বলেন, আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি আছে। সেই ব্যবস্থাপনা অনুসারে তাদের জমজমের পানি, লাগেজ দ্রুত দেওয়া হচ্ছে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close