নিজস্ব প্রতিবেদক

  ১২ আগস্ট, ২০২২

করোনা চিকিৎসা ও টিকাদানে আমরা সফল

জাহিদ মালেক

টিকাদানসহ করোনা চিকিৎসায় বাংলাদেশ সফল বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘করোনার চিকিৎসায় আমরা সফল হয়েছি। টিকাদান কর্মসূচিতেও আমরা ব্যাপক সফলতা পেয়েছি। দেশবাসী আমাদের প্রশংসা করেন, প্রধানমন্ত্রী প্রশংসা করেন। দেশের বাইরেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, ব্লুমবার্গ প্রশংসা করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার অনেক প্রশংসা করেছে।’

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৫-১১ বছর বয়সি শিশুদের পরীক্ষামূলক টিকাকার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেখানেই গিয়েছি সবাই জানতে চেয়েছে, শিশুদের টিকা দেওয়া হবে কবে? আমরা টিকা পেয়েছি, কিন্তু আমাদের শিশুরা টিকা পায়নি। অভিভাবকরা এ নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। আজকে আমরা শিশুদের টিকাকার্যক্রম উদ্বোধন করতে যাচ্ছি। আজকে পরীক্ষামূলক শুরু করতে যাচ্ছি এবং আগামী ২৫ আগস্ট থেকে পুরোদমে টিকা কার্যক্রম দেশব্যাপী চলবে। প্রথমে আমাদের সিটি করপোরেশন এলাকায় শুরু হবে, তারপর পর্যায়ক্রমে সারা দেশে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ৩১ কোটি টিকা পেয়েছি। ফাইজারের ভ্যাকসিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পেয়েছি প্রায় ৬ কোটি, মডার্না পেয়েছি সাড়ে ৫ কোটি, জনসন অ্যান্ড জনসন পেয়েছি ৬ লাখ। শিশুদের দিতে হলে আমাদের ৪ কোটি ৪০ লাখ ডোজ টিকা প্রয়োজন। এরই মধ্যে ৩০ লাখ টিকা আমরা পেয়ে গেছি, বাকি টিকার প্রতিশ্রুতিও কোভ্যাক্সের মাধ্যমে চলে আসবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মাধ্যমে। ফাইজারের টিকা বিশেষ করে শিশুদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি খুবই নিরাপদ ও ভালো।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এক দিনে ৮৫ লাখ টিকা দিয়েছি, আমাদের সেই সক্ষমতা আছে। বিশ্ব এখন জানে যে বাংলাদেশ সুন্দরভাবে টিকা দিতে পারে। আমরা প্রায় ১১ কোটি টিকা কোভ্যাক্সের মাধ্যমে বিনা মূল্যে পেয়েছি। বাংলাদেশ নিজেদের অর্থায়নে টিকা দিয়েছে, আমাদের প্রায় ৩০ কোটি টিকা দেওয়া হয়েছে। অনেক দেশ আছে যারা টিকা বিনা মূল্যে দিচ্ছে না, কিন্তু আমরা দিচ্ছি। টিকার জন্য আমাদের কোনো সময় টাকার অভাব হয়নি। হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে টিকার জন্য। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সবাইকে টিকার আওতায় নিয়ে আসতে।’

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ আনওয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি শেল্ডন ইয়েট, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ড. বরদান জং রানা প্রমুখ।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close