ব্রেকিং নিউজ

সুস্থ হয়েই শুটিংয়ে পূর্ণিমা, সঙ্গে ফেরেদৗস

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০

বিনোদন প্রতিবেদক

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল পরিচালিত ‘গাঙচিল’ সিনেমার শুটিং। কিন্তু সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রের অভিনেত্রী পূর্ণিমাসহ কয়েকজন শিল্পী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তখন কাজ বাকি রেখেই শুটিং বন্ধ করতে হয় নির্মাতাকে। তবে ১৭ অক্টোবর থেকে আবারও বিএফডিসির ৯ নম্বর ফ্লোরে দৃশ্যধারণ শুরু হয়। অংশ নেন পূর্ণিমা-ফেরদৌস। কিন্তু পরদিন আবারও বাধে বিপত্তি। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন পূর্ণিমা। কিন্তু এক দিন বিশ্রামে থেকেই ১৯ অক্টোবর থেকে আবারও শুটিংয়ে অংশ নেন পূর্ণিমা।

এ বিষয়ে পূর্ণিমা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, এ মুহূর্তে বেশ ভালো আছি, সুস্থ আছি। তবে শরীরটা একটু দুর্বল। তার পরও পুরো ইউনিটের কথা ভেবেই পরদিনই শুটিংয়ে অংশ নিয়েছি। আমার জন্য একটি পুরো ইউনিট আটকে থাকবে, এটা হওয়াটা একদমই ঠিক নয়। যে কারণে এক দিন বিশ্রামে থেকে নিজের যত্ন নিয়ে আবার শুটিংয়ে ফিরেছি। ধন্যবাদ আমার সহশিল্পী, আমার বন্ধু ফেরদৌসকে আমাকে সবসময় সাহস দেওয়ার জন্য, অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূলসহ গাঙচিলের পুরো ইউনিটকে।’

ফেরদৌস বলেন, ‘পূর্ণিমা ভীষণ ডেডিকেটেড শিল্পী। ভালো মনের পাশাপাশি ভালো অভিনেত্রী। যার প্রমাণ অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও পুরো ইউনিটের কথা ভেবে, প্রযোজকের কথা ভেবে পূর্ণ বিশ্রামে থেকে শুটিংয়ে ফিরেছে। তাতে পুরো ইউনিটই খুশি হয়েছে। কারণ একটি সেট একজন শিল্পীর জন্য কোনোভাবেই ফেলে রাখা যায় না। পূর্ণিমা সেই দিকটা বিশেষভাবে বিবেচনা করেছে বিধায় মাঝে এক দিনের বিশ্রাম শেষেই শুটিংয়ে ফিরেছে।’

জানা গেছে, আগামীকাল পর্যন্ত বিএফডিসিতে ‘গাঙচিল’-এর কাজ হবে। এদিকে, ২০১৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জমকালো আয়োজনে ‘গাঙচিল’-এর মহরত অনুষ্ঠিত হয়। গত বছর ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে নোয়াখালীতে শুরু হয় শুটিং।

এতে ফেরদৌস সাংবাদিক চরিত্রে ও এনজিওকর্মীর চরিত্রে অভিনয় করছেন পূর্ণিমা। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন কলকাতার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

ছবিটি নির্মিত হচ্ছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ২০১৪ সালে প্রকাশিত ‘গাঙচিল’ উপন্যাস অবলম্বনে। ইচ্ছামতো এবং নুজহাত ফিল্মসের প্রযোজনায় সিনেমাটিতে তারিক আনাম খান, আফজাল হোসেন ও আনিসুর রহমান মিলনসহ আরো অনেকে অভিনয় করছেন। যৌথভাবে ‘গাঙচিল’-এর চিত্রনাট্য লিখেছেন বাংলাদেশ থেকে নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল, মারুফ রেহমান, পান্থ শাহরিয়ার ও কলকাতার প্রিয় চট্টোপাধ্যায়।

 

 

"