মোতাহার হোসেন

  ০৭ ডিসেম্বর, ২০২১

পর্যালোচনা

বঙ্গবন্ধুর নদী ভাবনায় ‘সোনার বাংলায় সুনীল স্বপ্ন’

নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশ। শত শত নদণ্ডনদীবেষ্টিত এই বাংলার জনপদ। নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে সভ্যতা, পর্যটনকেন্দ্র, শিল্প-কারখানা, স্কুল-কলেজ, হাটবাজার, বন্দর। হাজার বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে নদী ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৫০ এমনকি ৬০-এর দশক অবধি মানুষের যাতায়াত ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান মাধ্যম ছিল নৌপথ। আবার আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীকও হচ্ছে নৌকা। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নদণ্ডনদীর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ তার শৈশব থেকে। রাজনীতিতে প্রবেশ করার পর সাংগঠনিক কাজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে তিনি যাতায়াত করেছেন নৌপথে। নদণ্ডনদী ঘিরে রচিত হয়েছে গল্প কবিতা, গান, নাটক প্রভৃতি। কালের বিবর্তনে অযত্ন-অবহেলায়, দখল-দূষণে হারিয়ে যেতে বসেছে নদীমাতৃক বাংলাদেশের ঐতিহ্য। একসময় বলা হতো ১ হাজার ২০০ নদী আছে এই বাংলায়। বিলীন হতে হতে এখন তা ৫০০-৬০০ তে নেমে এসেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ছিলেন প্রকৃতি ও নদীপ্রেমী। তার অসংখ্য বক্তব্যে ও স্মৃতিচারণে নদীর কথা, নদীর প্রতি তার ভালোবাসা, দরদ, চিন্তা ও পরিকল্পনার কথা উঠে এসেছে। স্বাধীনতাণ্ডপরবর্তী সময়ে তিনিই মূলত: দেশের নদণ্ডনদী রক্ষা, ড্রেজিং, খনন, সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকার দেশের নদণ্ডনদী রক্ষায় তথা নদী ব্যবস্থাপনায় নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সম্প্রতি ‘সোনার বাংলায় সুনীল স্বপ্ন’ শিরোনামে একটি বিশেষ সংকলন প্রকাশ করেছে। কিন্তু এই সংকলনের নাম ‘বঙ্গবন্ধুর সুনীল স্বপ্ন’ হলে এর তাৎপর্য, গুরুত্ব আরো বেড়ে যেত বলে আমার কাছে প্রতিয়মান হয়েছে। তবুও দেশের নদী ও নদী নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাবনা, দর্শন, তার কন্যা শেখ হাসিনার স্বপ্ন, পরিকল্পনার আদি অন্ত ওঠে এসেছে এ সংকলনে। তাই এ সংকলনকে নদী নিয়ে বঙ্গবন্ধুর দর্শন ও তার কন্যার ভাবনা, পরিকল্পনার ঐতিহাসিক দলিল আখ্যা দেওয়া যায়। এই ঐতিহাসিক সংকলন প্রকাশের জন্য নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে ধন্যবাদ এবং তার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।

সংকলনে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর চুম্বক অংশ তথা স্মৃতি কথায় তার জন্ম ও বালক বেলার কিছু তথ্য উঠে এসেছে। আরো আছে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার লেখা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জাতির পিতার কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানার লেখা কবিতা ‘বাবা’। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কবি কামাল চৌধুরীর ‘আবার দেখা হবে’ শীর্ষক কবিতাসহ বঙ্গবন্ধু : নদী ও কবিতা শিরোনামের অধ্যায়ে তাকে নিয়ে খ্যাতিমান কবিদের লেখা ১৭টি কবিতা। নদী নিয়ে বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগগুলোর মধ্যে নিরাপদ বন্দর চ্যানেল সৃষ্টি ও উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু, চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর, মেরিটাইম শিক্ষা বিস্তারে বাংলাদেশ মেরিন অ্যাকাডেমি, ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তর, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি, মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন, নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ প্রতিষ্ঠা, চট্টগ্রাম ড্রাইডকসহ সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সংকলনে। ‘মেরিটাইম সেক্টর : সংবাদপত্রে বঙ্গবন্ধু’ চ্যাপ্টারে নদী সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য, উন্নয়নসহ ওই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ খবরের কার্টিং সন্নিবেশিত হয়েছে। পরের অধ্যায়ে চট্টগ্রাম বন্দর, মেরিটাইম সেক্টর নিয়ে তিনটি ইংরেজি এবং বাংলায় খ্যাতিমান পানি ও পরিবেশবিজ্ঞানী ড. আইনুন নিশাতের ‘বঙ্গবন্ধুর লেখায় নদণ্ডনদী’, সৈয়দ আবুল মকসুদের ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও নদী’সহ প্রায় ডজন খানেক নিবন্ধ স্থান পেয়েছে এতে।

বঙ্গবন্ধুর স্বহস্তে লিখিত ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন’ বই তিনটিতেও নদীপথে তার যাতায়াতের অনেকগুলো ঘটনার বর্ণনা আছে। আবার বঙ্গবন্ধুকে সম্মান জানাতে গিয়ে ভারতের বিখ্যাত কবি অন্নদাশঙ্কর রায় লিখেছেন, ‘যতকাল রবে পদ্মা, যমুনা, গৌরি, মেঘনা বহমান/ততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।’ অর্থাৎ পদ্মা, মেঘনা, যমুনার মতো বিশ্বের তিনটি বহতা নদীর শক্তির সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর শক্তির তুলনা সত্যিই অপূর্ব। একই সঙ্গে যতদিন ধরিত্রিতে এই নদীগুলো বহমান থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা মানুষকে মনে করিয়ে দেবে। নদী নিয়ে বঙ্গবন্ধুর উদ্দেশ্য ছিল দেশে অবস্থিত নদণ্ডনদী সাগরের পানি, সমুদ্র সম্পদের যথাযথ ব্যবহার। এই লক্ষ্যে তারই সুযোগ্যে কন্যা শেখ হাসিনা ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কাজ করছেন। নদী সাগর নিয়ে শত বছরব্যাপী পরিকল্পনার মাধ্যমে বন্যা, নদীভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামের পানি সরবরাহ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ব-দ্বীপ অঞ্চল ও নদীমাতৃক দেশ হিসেবে নদী ব্যবস্থাপনা ও এর উন্নয়নের ওপর দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভর করছে। বর্ষা মৌসুমে দেশে অনেক অঞ্চল প্লাবিত হয়। এই পানির প্রায় ৯২ শতাংশ চীন ও ভারতের মতো উজানের দেশগুলো থেকে আসে। ফলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি প্রবাহের কারণে বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী পরিবেশে প্রভাব পড়ছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। এরই মধ্যে নদীর পানিতে লবণাক্ততা বাড়ছে, পানীয় জলের সংকট, নদীভাঙন হচ্ছে। এ কারণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদী তীরের মানুষ। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সহায়ক হবে ডেল্টা প্ল্যান। পাশাপাশি নদী তীরের মানুষের সচেতনতা ও সংশ্লিষ্ট মহলের উদ্যোগ দরকার। বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৮০ শতাংশ পানি অন্যত্র চলে যাওয়ায় পানির অপচয় হচ্ছে। তাই বর্ষার পানি সংরক্ষণ করা গেলে পরবর্তী সময়ে শুষ্ক মৌসুমে তা কৃষিসহ মানুষের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করা যাবে। অবশ্য ডেল্টা প্ল্যান বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় এটি অন্তর্ভুক্ত আছে। প্রয়োজন তার বাস্তবায়ন। এ পরিকল্পনায় ছয়টি হটস্পট নির্ধারণ করে সেখানে ৩৩ ধরনের চ্যালেঞ্জ শনাক্ত করা হয়েছে। হটস্পটগুলো হচ্ছে উপকূলীয় অঞ্চল, বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল, হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল, নদী ও মোহনা অঞ্চল ও নগরাঞ্চল। এ অঞ্চলগুলোকে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে। জীববৈচিত্র্য সুন্দরবন সংরক্ষণ, বাঁধ-ব্যারাজ সংস্কার ও নির্মাণ, বিভিন্ন নদীতে জেগে ওঠা চর, মোহনার গতিপথ নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিসহ ভিশন-২০২১ ও ২০৪১-এর লক্ষ্য অর্জনে সামগ্রিকভাবে এর সঙ্গে যুক্ত প্রধান উপাদানগুলোর সমন্বয়ের মাধ্যমে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব।

নদী নিয়েও বঙ্গবন্ধুর বিশেষ ভাবনা ছিল, তা অনেকেই জানে না। তিনি আসলে নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদী ও জলাশয়কে বুকে ধারণ করে চলতেন। তাই তিনি অনায়াসে বলতে পারেন নিজেকে ‘পানির দেশের মানুষ’। বঙ্গবন্ধু তার যে আত্মজীবনী লেখার কাজ শুরু করেছিলেন তা শেষ হয়নি। সেখানে তিনি লিখছেন, ‘পানির দেশের মানুষ আমরা। পানিকে বড় ভালোবাসি।’ আসলে টুঙ্গিপাড়ার নদীর কথা তিনি কখনো ভুলতে পারেননি। নদীর সঙ্গে সন্তানসম তার সম্পর্কের কথা বলতে গর্ববোধ করতেন। বস্তুত তিনি ছিলেন নদী বেষ্টিত জেলা গোপালগঞ্জের সন্তান। তাই নদীর গুরুত্ব তিনি বুঝতেন। তিনি যখন রাষ্টের দায়িত্ব নেন তখন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনঃগঠনের পাশাপাশি নদী খননেও কাজও শুরু করেন। এজন্য ক্রয় করা হয় নতুন ড্রেজার। এর মধ্যে রয়েছে ডেল্টা-১, ডেল্টা- ২, ড্রেজার-১৩৫, ড্রেজার-১৩৬, ড্রেজার -১৩৭, ড্রেজার-১৩৮ ও ড্রেজার-১৩৯ যেগুলো এখনো বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের সম্পদ। আসলে তিনি জানতেন, বাংলাদেশের যদি উন্নতি করতে হয় তাহলে নদীকে ভালো রাখতে হবে। তাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।

এখানে একটি কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন তা হলো দেশীয় ও আন্তঃদেশীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও তিনি নদীকে নিদারুণভাবে নির্ভর করতেন। এক্ষেত্রে ভীষণভাবে উল্লেখযোগ্য মোংলা-ঘষিয়াখালীর ৩১ কিমি নৌপথ খননের কাজ। ১৯৭৪ সালে চালু হওয়া এই নৌপথের মূল উদ্দেশ্যই ছিল সুন্দরবনকে অক্ষত রেখে মোংলা সমুদ্রবন্দরের পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে অল্প দূরত্বের বিকল্প পথের সন্ধান করা। মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথের জন্য তার বারবার চেষ্টা মনে রাখার মতো। পরবর্তী সময়ে মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ ‘ভারত-বাংলাদেশ নৌবাণিজ্য প্রটোকল রুট’-এর মধ্যে আসে। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে দেশের অভ্যন্তরস্থ বিভিন্ন জায়গা থেকে ভারতের সঙ্গেও পণ্য পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। একবার তিনি নদীপথে ভ্রমণ করছেন। সঙ্গী কিংবদন্তি লোকগায়ক আব্বাসউদ্দিন। নৌকায় বসে গান শুনতে শুনতে তার মনে হলো আব্বাসউদ্দিনের ভাটিয়ালি গান তার নিজের কণ্ঠে না শুনলে জীবনের একটা দিক অপূর্ণ থেকে যেত। বঙ্গবন্ধুর মনে হচ্ছিল নদীর ঢেউগুলোও যেন আব্বাসউদ্দিনের গান শুনছে। নদীর প্রতি নিখাদ ভালোবাসা না থাকলে এমন বর্ণনা অসম্ভব।

আমি প্রত্যক্ষ ভাবে দেখেছি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদী রক্ষার বিষয়ে উদ্যোগী ও তৎপর হতে। কিন্তু তার এই ভাবনা যে তার পিতার কাছ থেকে এসেছে তাও তার কথা থেকে জানা যায়। আসলে বঙ্গবন্ধুর জীবনে নদী ছিল খেলার সাথী, পরবর্তী সময়ে উন্নয়নের সাথী। তাই কবির ভাষায় বলা যায়, ‘যতকাল রবে পদ্মা মেঘনা গৌরী যমুনা বহমান/ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবর রহমান।’

লেখাটা শতভাগ সত্যি। এটা অনস্বীকার্য যে, বাংলাদেশের মানুষের পরিচয়ের সঙ্গে মিশে আছে নদী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান তাকে ভালোবেসে বুকে স্থান দিয়েছেন আর দেশ হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাকেই নির্ভর করেছেন। নদী ও বন্যা ব্যবস্থাপনায় সর্বাধিক জোর দিয়েছিলেন যিনি তার নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর তাকেই আপামর বাঙালি ‘বঙ্গবন্ধু’ নামেই চেনেন, জানেন, স্মরণ করেন। তাই এ নিবন্ধে আবারও শ্রদ্ধায়, ভালোবাসায় স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে, তার পরিবারের অপরাপর শহীদ সদস্যদের। একই সঙ্গে প্রত্যাশা দেশের নদণ্ডনদী যতদিন বহমান থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধু স্মরিত হবেন।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

[email protected]

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close