reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ২০ জুন, ২০২৪

অমিতের ছবিই যেন কথা বলে

অমিত হাছান অন্তর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী। তার মনমাতানো ছবি যেন কথা বলে। এই ফটোগ্রাফির কারণে ক্যাম্পাসে সে পরিচিত মুখ হয়ে উঠছেন। তার ফটোগ্রাফির কথা জানাচ্ছেন সাকিবুল হাছান

অমিতের ছবি তোলার শুরু ২০১৭ সালে। তাও বাবার ফোন দিয়ে। ব্রিজের ওপর থেকে নদী, পালতোলা নৌকা আর চারপাশের প্রকৃতিই ছিল তার ছবির বিষয়। ছবির প্রতিটা ফ্রেমে কিছু অজানা গল্প থাকে, এই গল্পগুলো ফ্রেমবন্দি করতে পারলে অমিতের একপ্রকার মানসিক প্রশান্তি কাজ করে। মূলত এই মানসিক শান্তির খোঁজেই সে ফটোগ্রাফিটা শুরু করে।

অমিতের বেড়ে ওঠা গ্রামেই। তাই সে প্রকৃতির ছবি তুলতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। একবার সে সূর্যাস্তের ছবি তুলতে নদীর ঘাটে গিয়েছিল। পানিতে সূর্যের প্রতিচ্ছবি তুলে পানির এত কাছে চলে গিয়েছিল একপর্যায়ে সে পানিতে পড়ে যায়। পরে এই ছবিটার মাধ্যমে একটি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয় অমিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ও ডিপার্টমেন্টে বিভিন্ন প্রোগ্রামে সে নিজে থেকে মোমেন্টগুলো ফ্রেমবন্দি করে। প্রোগ্রাম শেষে কেউ কেউ যখন তাদের স্মরণীয় মুহূর্তগুলো ফ্রেমবন্দি দেখতে পায়, তথন সত্যিই খুব খুশি হয়। এখন অমিতের বন্ধুরা সবাই তাকে বলে, ‘ওর ব্যাগ থাকুক আর না থাকুক ক্যামেরাটা সব সময়ই পাওয়া যাবে।’ ফটোগ্রাফার হিসেবে ক্যাম্পাসে ব্যাপক পরিচিত গড়ে উঠেছে তার।

ফেসবুকের অনেক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হলেও জাতীয় কোনো পুরস্কার সে অর্জন করতে পারেনি। তবে অমিত বলেছেন, তিনি হাল ছাড়বেন না। তার ইচ্ছে এক দিন দেশ-বিদেশের সবাই তাকে ফটোগ্রাফির মাধ্যমে চিনবে।

অমিত হাছান বলেন, মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা সবার মধ্যে একটা ভ্রান্ত ধারণা থাকে যে, মধ্যবিত্ত পরিবারে এই শখ রাখতে নেই, কারণ সেটা নাকি কোনো দিন পূরণ হয় না।’ অমিত জানান, মূলত এই ধারণা ভুল প্রমাণ করতে তিনি ফটোগ্রাফি নিয়ে কাজ করতে চান।

অমিত আরো বলেন, আশা করি প্রিতো রেজা ভাইয়ার মতো সবাই এক দিন আমাকে এক নামে চিনবে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close