বাঁধন বৈষ্ণব, সরকারি তিতুমীর কলেজ

  ১১ জুন, ২০২৪

প্রীতি বিতর্কে সরকারি তিতুমীর কলেজ বনাম কবি নজরুল সরকারি কলেজ

প্রজ্ঞার উন্মোচন, চিন্তার প্রসার আর আলাপচারিতায় মাধুর্যপূর্ণ শব্দ চয়নের জ্ঞানলাভ হয় বিতর্কের ছোঁয়ায়। দেশের সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং বৈশ্বিক সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে বিশ্লেষণী দক্ষতা অর্জনে একজন বিতার্কিক বরাবরই জায়গা করে নেয় শ্রেষ্ঠত্বের। বিতর্কের এই বাকযুদ্ধ উদ্ভাবনী চিন্তাশীল তারুণ্য বিনির্মাণে একজন শিক্ষানবিসকে গড়ে তুলে সুবিবেচক সৃজনীশক্তি-সংবলিত ব্যক্তিতে। যার মস্তিষ্কের ঝুলিতে প্রতিনিয়ত অনুরণিত হয় বিশ্লেষণী আর মানবিক সব চিন্তাভাবনা।

এই প্রত্যয়ে সরকারি তিতুমীর কলেজ ‘বিজয় বিতর্ক মঞ্চ’ প্রাঙ্গণে প্রীতি বিতর্কে অবতীর্ণ হয় সরকারি তিতুমীর কলেজ বিতর্ক ক্লাব বনাম কবি নজরুল সরকারি কলেজ বিতর্ক ক্লাব। বিতর্কের বিষয় ছিল ‘এই সংসদ বাংলাদেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ভারতীয় পণ্য বর্জন আন্দোলনে অংশগ্রহণ করবে না’। বিতর্কের এই ছায়া সংসদে স্পিকার হিসেবে ছিলেন তিতুমীর কলেজ বিতর্ক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান জয় এবং বিচারক হিসেবে কবি নজরুল বিতর্ক ক্লাবের সহসভাপতি আজম খান ও তিতুমীর কলেজ বিতর্ক ক্লাবের সভাপতি কানিজ ফাতেমা। সরকার দলের হয়ে অংশগ্রহণ করেন সরকারি তিতুমীর কলেজ বিতর্ক ক্লাবের বিতার্কিক নিশাত ইয়াসমিন, সারজিস হোসেন এবং মোছা. দিলা মনি। অন্যদিকে বিরোধী দলের হয়ে বিতর্ক করেন কবি নজরুল সরকারি কলেজ বিতর্ক ক্লাবের বিতার্কিক আল-আমিন, আশরাফুল ইসলাম সজীব ও রিমু আহমেদ। ভারতীয় পণ্য বর্জনবিষয়ক সাম্প্রতিক এ বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলের পাল্টা যুক্তি আর প্রত্যুত্তরে মুখরিত হয়ে উঠে তিতুমীরের প্রাঙ্গণ। দর্শকসারি থেকে উঠে আসা প্রতিনিয়ত করতালির আওয়াজে প্রাণোচ্ছল হয়ে উঠে ‘বিজয় বিতর্ক মঞ্চ’। বাকযুদ্ধের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ কাউকে ছাড়ার নয়, যুক্তির বিপরীতে পাল্টা যুক্তি খন্ডনে যেন ছাড় নেই কারো প্রতি। প্রীতি বিতর্ক হওয়ায় অবশেষে ফলাফল অপ্রকাশিত রেখে ড্র গণ্য করা হয়। বিতর্কের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিতুমীর কলেজ বিতর্ক ক্লাবের মডারেটর ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সালমা মুক্তা ম্যাম, সব বিতার্কিকদের উদ্দেশে চিন্তার বিকাশ, সম্প্রীতির বন্ধনের প্রত্যয়ে এরকম প্রীতি বিতর্কের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close