প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

  ০৯ ডিসেম্বর, ২০২২

পশ্চিম তীরে তিন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল

জেনিন শহরের কাছে নির্বিচার গুলি * ইসরায়েলের রাত্রিকালীন অভিযান জোরদার * বৃদ্ধি পেয়েছে সহিংসতা

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে তিন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) পশ্চিম তীরের জেনিন শহরের কাছে তাদেরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শহরের সীমানায় বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি বাহিনী তিন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে বলে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, আজ ভোরে জেনিনে ইসরায়েলি বাহিনীর বুলেটে তিনজন নিহত হয়েছেন। এর আগে গত ২৫ অক্টোবর পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছিলেন। এ ঘটনায় আহত হন আরও ১৯ জন। একইদিন রামাল্লায় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আরেক ফিলিস্তিনি নিহত হন। এই রামাল্লাতেই ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর অবস্থিত। এর দু’দিন আগে ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী এক ফিলিস্তিনি যুবককে হত্যা করে। সেসময় ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, পশ্চিম তীরের একটি চেকপয়েন্টে ওই ফিলিস্তিনি যুবককে মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়।

এছাড়া অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে অধিকৃত পশ্চিম তীরে গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনার সময় দুই ফিলিস্তিনিকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এর আগে সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে পশ্চিম তীরে তিন ফিলিস্তিনিকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনী।

উল্লেখ্য, ইসরায়েল সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম তীরে একের পর এক রাত্রিকালীন অভিযান জোরদার করার পর সেখানে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধরনের অভিযান প্রায়ই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে মারাত্মক সংঘর্ষের জন্ম দিয়ে থাকে। চলতি বছর পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি লড়াইয়ে ১২৫ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনি হামলায় ইসরায়েলে ১৯ জন নিহত হওয়ার পর থেকে এই লড়াই আরও জোরালো হয়েছে। ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল পশ্চিম তীর দখল করে এবং এরপর থেকে সেখানে ১৩০ টিরও বেশি বসতি তৈরি করেছে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close