প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

  ২২ নভেম্বর, ২০২২

নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ আদালতের রায়

ভোটার হওয়ার বয়স ১৮ বছর বৈষম্যমূলক

ভোটার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর নির্ধারণ করে যে নিয়ম আছে তাকে ‘বৈষম্যমূলক’ বলে রায় দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ আদালত। সোমবার সর্বোচ্চ আদালত এ রায় দেন। এর রায়ের পর ভোট দেওয়ার বয়স কমানো উচিত কি না- এ নিয়ে আলোচনার চাপে পড়েছে নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্ট।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, অধিকার আন্দোলনকারী গোষ্ঠী ‘মেক ইট সিক্সটিন’ ১৬ ও ১৭ বছর বয়সিদের ভোটের অধিকার দেওয়ার দাবিতে ২০২০ সালে এ মামলা করেছিল। এই মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ভোট দেওয়ার বিদ্যমান বয়স ১৮ বছর নিউজিল্যান্ডের সংবিধানে ঘোষিত মৌলিক অধিকারের ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। নিউজিল্যান্ডের সংবিধানে মৌলিক অধিকারের ওই ঘোষণায় কোনো ব্যক্তির বয়স ১৬ বছর হওয়ার পরই বয়সজনিত বৈষম্য থেকে তাকে মুক্ত হওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছে।

আদালতের এ সিদ্ধান্তের পর এখন ইস্যুটি নিয়ে আলোচনার জন্য পার্লামেন্টের কার্যবিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং পার্লামেন্টের সিলেক্ট কমিটি দ্বারা পর্যালোচিত হতে হবে। কিন্তু এ রায় পার্লামেন্টকে ভোট দেওয়ার সর্বনিম্ন বয়স পাল্টাতে বাধ্য করতে পারবে না। এ রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ‘মেক ইট সিক্সটিন’ গোষ্ঠীর সহপরিচালক কেইডেন টিপলার বলেছেন, ‘এটাই ইতিহাস। সরকার ও পার্লামেন্টে এ ধরনের পরিষ্কার আইনি ও নৈতিক বার্তা উপেক্ষা করতে পারবে না। তাদের অবশ্যই আমাদের ভোট দেওয়ার অধিকার দিতে হবে।’ গোষ্ঠীটি তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, ১৬ বছর বয়সিরা যখন গাড়ি চালাতে, পূর্ণ সময় কাজ করতে ও ট্যাক্স দিতে পারছে তখন তাদের ভোটের অধিকার না দেওয়ার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ন্যায্যতা নেই। এ বিষয়ে নিউজিল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি মিশ্র। গ্রিন পার্টি চায়, অবিলম্বে ভোট দেওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৬ করা হোক; কিন্তু বৃহত্তম বিরোধী দল ন্যাশনাল পার্টি এই দাবিকে সমর্থন করে না।

ন্যাশনাল পার্টির নেতা ক্রিস্টোফার লাক্সন বলেন, ‘স্পষ্টতই আমাদের কোথাও একটি লাইন টানতে হবে। লাইনটি ১৮-তে হওয়াইতেই আমরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। আদালতের এ রায়ের বিষয়ে ক্ষমতাসীন লেবার দলীয় সরকার কোনো মন্তব্য করেনি।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close