ব্রেকিং নিউজ

যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণহানি ৫ লাখ ছাড়াতে পারে

প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে আবার দৈনিক করোনাভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, শুক্রবার নতুন করে দেশটিতে আরো ৮৪ হাজারেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এভাবে আক্রান্ত হলে ফেব্রুয়ারি নাগাদ প্রাণহানি ৫ লাখ ছাড়াবে বলে আশঙ্কা করছেন গবেষকরা। খবর বিবিসির।

যুক্তরাষ্ট্রের সার্জন জেনারেল জেরোম অ্যাডামস সতর্ক করেছেন, হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে উন্নত চিকিৎসার কারণে আগের চেয়ে মৃত্যুর হার কমেছে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৮৪ লাখ ৯৩ হাজার ৭৪৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত ১৬ জুলাই সর্বোচ্চ ৭৭ হাজার ৮৪২ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। শুক্রবার আক্রান্তের সংখ্যা সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

এদিন ৮৪ হাজার ২১৮ জনের কোভিড-১৯-এর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এটি এক দিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণ শনাক্তের রেকর্ড। জুলাইয়ের পর গত সাত দিনে দেশটিতে ৪ লাখ ৪১ হাজারেরও বেশি মানুষের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। দ্বিতীয় ঢেউয়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে দেশটি মধ্য পশ্চিমাঞ্চলে। বিশেষ করে নর্থ ডকোটা, মন্টানা এবং উইসকনসিনের মতো রাজ্যে এ সংক্রমণ বেশি শনাক্ত হয়েছে।

শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ হতে পারে বলে শঙ্কা গবেষকদের।

ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর হেলথ ম্যাট্রিক্স অ্যান্ড অ্যাভল্যুশনের (আইএইচএমই) গবেষকরা বলছেন, যদি আমেরিকানরা মাস্ক না পরেন তাহলে ফেব্রুয়ারিতে মৃতের সংখ্যা ৫ লাখ হতে পারে। শীতের কারণে অনেকে ঘরে থাকবেন। বিশেষ করে বদ্ধ জায়গায় ও দুর্বল বায়ু নিষ্কাশন ব্যবস্থায় ভাইরাসটির সংক্রমণ ছড়াবে দ্রুত।

ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর হেলথ ম্যাট্রিক্স অ্যান্ড অ্যাভল্যুশনের পরিচালক ও গবেষণাটির সহ-লেখক ক্রিস মুরে বলেন, আসন্ন শীতে আমরা মারাত্মক সংক্রমণ বৃদ্ধির দিকে ধাবিত হচ্ছি।

আইএইচএমই বলছে, যদি ৯৫ শতাংশ আমেরিকান মাস্ক ব্যবহার করেন তাহলে ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ও দেশটির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসের পরিচালক প্রধান ড. অ্যান্থনি ফাউচিও এমন কথাই বলেছেন।

 

"