reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ০৯ ডিসেম্বর, ২০২১

মেয়রের উন্নয়ন ভাবনা

আস্থার প্রতিদান দিতে চাই

পৌরবাসীর কাছে আমি ঋণী। তাদের আস্থার জায়গা থেকে আমাকে নির্বাচিত করেছেন। অবহেলিত গোয়ালন্দকে আধুনিক পৌরসভায় রূপান্তরিত করতে আমি চেষ্টা অব্যাহত রাখব। আগামী দিনগুলোতে যাতে তাদের পাশে সবসময় থাকতে পারি সেজন্য সবার সহযোগিতা চাই। ২০ বছরে অনেক জঞ্জাল জমা হয়েছে। গত নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি একটি পরিবর্তনের জন্য। আমি সেই পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। পৌরসভায় গত ১৯ বছরে যে উন্নয়ন হয়নি, এখন সেই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করাই চ্যালেঞ্জ। আমি গোয়ালন্দ পৌরবাসীর সঙ্গে আছি, থাকব। প্রতিদিনের সংবাদকে এ কথা বললেন গোয়ালন্দ পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম মণ্ডল। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রানা।

২০০০ সালের ২৬ জুলাই থেকে পৌরসভার কার্যক্রম শুরু হয়। এটি ‘ক’ শ্রেণির একটি পৌরসভা। এর ওয়ার্ড ৯টি। ভোটার ১৬ হাজার ৫৪৮; এর মধ্যে পুরুষ ৮ হাজার ২৫৪, নারী ৮ হাজার ২৯৪। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মেয়র পদে জয়ী হন আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম মণ্ডল।

মেয়র নজরুল ইসলাম মন্ডল বলেন, পৌরসভার প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই স্বাধীনতাবিরোধী একটি মহল ক্ষমতায় থাকে। তারা পৌরসভার উন্নয়ন নয়, ব্যক্তি উন্নয়নে ব্যস্ত ছিল। পৌরবাসীদের অন্ধকারে রেখেছিল। উন্নয়নের ছোঁয়া লাগতে দেয়নি এই পৌরসভায়। শুধু কাগজে-কলমেই প্রথম শ্রেণি। আমি গোয়ালন্দ পৌরসভার দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বে একটি রাস্তাও পাকা ছিল না। যে রাস্তাগুলো পাকা ছিল, সেখানেও খানাখন্দে ভরা। যানবাহন নিয়ে চলাচল দূরে থাক হেঁটে চলাচলও অসম্ভব ছিল। পৌরসভার কোনো সুযোগ-সুবিধা পায়নি পৌরবাসী। তবে পৌরবাসীকে নিয়ে উন্নয়নের পরিকল্পনা করে কাজ শুরু করেছি। প্রথমে যে উন্নয়ন করা প্রয়োজন সেই উন্নয়ন গুরুত্ব দিয়ে শুরু করেছি। পৌরসভায় খানাখন্দ রাস্তাগুলো পাকা করেছি। বাকি রাস্তার উন্নয়নকাজ শুরু হয়েছে।

পৌর মেয়র আরো বলেন, পৌর নাগরিকদের জন্য বিনোদন পার্ক, মার্কেট, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্যও নির্ধারিত জায়গা দেখা হচ্ছে। প্রতিটি নাগরিক যেন প্রথম শ্রেণির পৌরসভার সযোগ-সুবিধা পান সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।

মেয়র বলেন, এখন কোনো নাগরিকের দিনের পর দিন পৌরসভায় এসে ঘুরতে হয় না। মেয়রের সঙ্গে দেখা করতে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয় না। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ সহজেই মেয়রের কক্ষে পৌঁছতে পারেন। কোনো নাগরিকের সেবা পেতে হয়রানি বা টাকা খরচ করতে হয় না। মেয়র নজরুল ইসলাম মন্ডল বলেন, একটি মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছি পৌরসভার উন্নয়নের জন্য। আগামী দুই বছরের মধ্যে এই প্ল্যান শেষ করা সম্ভব হবে আশা করছি। মাস্টারপ্ল্যানের কাজ শেষ হলে মহানগরের ছোঁয়া পাবে পৌরবাসী।

পৌরসভাকে ডিজিটাল ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মেয়র নজরুল ইসলাম বলেন, আমি পৌরবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করব। আগে যেভাবে মানুষের পাশে ছিলাম তেমনি থাকব। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন পৌঁছে যাবে পৌরসভার প্রত্যেকটি এলাকায়। আমি সবাইকে নিয়ে পৌরসভাকে উন্নত মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলব। এজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close