নিজস্ব পতিবেদক

  ২৮ নভেম্বর, ২০২১

বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর কৃতিত্ব

পাটের স্যানিটারি ন্যাপকিন বানালেন ফারহানা

পাট দিয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি করে বিশ্বে সুনাম কুড়ালেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ফারহানা সুলতানা। এখন চলছে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ। তার এ কাজের আরেক সহযোগী পাট গবেষক ড. মোবারক আহমেদ খান। তাদের লক্ষ্য পরিবেশবান্ধব পাটের স্যানিটারি ন্যাপকিন কম দামে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া।

বিজ্ঞানী ফারহানা সুলতানা বলেন, এটা দেখতে রুমালের মতো, ভাঁজ করলে প্যাড হয়ে যায়। আমরা ৬ মাসের একটা ইন্টারভেশন চালিয়ে দেখেছি এখানে। বিদ্যালয়ে পিরিওডের কারণে ছাত্রীদের অনুপস্থিতি ৮ শতাংশ কমিয়েছে। যারা কাপড় ব্যবহার করে তারা ট্যাবুর কারণে ভালমতো ধুতে পারে না বা রোদে শুকাতে পারে না। এ সমস্যা মাথায় রেখে সুলতানা ওয়াশার, ড্রায়ার ব্যাগ বানানো হয়, যা হাতের স্পর্শ ছাড়াই মাসিকের সময় ব্যবহৃত কাপড় ধোয়ার সুবিধা দেয়। ঢাকার বস্তির ৬৭ শতাংশ নারী এটা পছন্দও করেন।

অভিনব এই চিন্তার জন্য বিল অ্যান্ড মেলিনডা গেটস ফাউন্ডেশন ২০১৬ সালে পুরস্কৃতও করে এ বিজ্ঞানীকে। স্বীকৃতি মেলে গ্র্যান্ড চ্যালেঞ্জেস কানাডা, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকসহ অনেক প্রতিষ্ঠানের।

কিন্তু তাতে সন্তুষ্ট হয়ে থেমে থাকেননি ফারহানা। গবেষণা চালাতে থাকেন ম্যানুয়াল পাটের সেলুলোজভিত্তিক ডিসপোজেবল প্যাড তৈরির। আর এ কাজে তার সহযোগী বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমেদ খান।

ফারহানা সুলতানা আরো বলেন, ডিসপোজেবল প্যাড যেটা বাজারে পাওয়া যায় সেটা কিনতে পারে না দামের জন্য। আর সেখানে একটি প্লাস্টিকের শিট ব্যবহৃত হয় যেটা মাটির সঙ্গে ৫০০ থেকে ৮০০ বছরেও মিশে না। আমি মিরপুরের একটি বস্তিতে হিউম্যান ট্রায়াল দিচ্ছি। সেখানে দেখতে পেয়েছি এটা কমফোর্টেবল ছিল নারীদের জন্য। ভালো মতো শোষণ করতে পারছে ও তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য। আর এটি মাটির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close