নিজস্ব প্রতিবেদক

  ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০

এক মাসে সড়কে নিহত ৪৮৬

যাত্রীকল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন

নভেম্বর মাসে দেশে সড়ক-মহাসড়কে ৪৪৩টি দুর্ঘটনায় ৪৮৬ জন নিহত ও ৭৪১ জন আহত হয়েছে। একই সময় রেলপথে ৫০টি দুর্ঘটনায় ৫২ জন নিহত এবং ১৩ জন আহত হয়েছে। নৌপথে ছয়টি দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত ও ২০ জন আহত এবং চারজন নিখোঁজের সংবাদ পাওয়া গেছে। সড়ক, রেল ও নৌপথে সম্মিলিতভাবে ৪৪৯টি দুর্ঘটনায় ৫৩৯ জন নিহত এবং ৭৭৪ জন আহত হয়েছে। গতকাল বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

দেশের জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিক, অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। এই মাসে এক দিনে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয় ১৯ নভেম্বর, এদিনে ২০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়। এক দিনে সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয় ২৩ নভেম্বর, এদিনে ৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় আটজন নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়।

------
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মাসে সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের মধ্যে ২০৩ জন চালক, ১৫৫ জন পথচারী, ৯৪ জন নারী, ৪৯ জন শিশু, ৪২ জন পরিবহন শ্রমিক, ৩৩ জন শিক্ষার্থী, ১৬ জন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ১০ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য (একজন আনসার ও ৯ পুলিশ সদস্য), আটজন শিক্ষক, পাঁচজন বিচারক, তিনজন চিকিৎসক এবং তিনজন সাংবাদিক বলে সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। এরমধ্যে নিহত হয়েছে ১৫৭ জন চালক, ১৩৯ জন পথচারী, ৭২ জন নারী, ৩২ জন শিশু, ২৫ জন পরিবহন শ্রমিক, ২৫ জন শিক্ষার্থী, ১৪ জন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, আটজন শিক্ষক, তিনজন চিকিৎসক, পাঁচজন পুলিশ ও একজন আনসার বাহিনীর সদস্য। এই মাসে সংগঠিত দুর্ঘটনায় ২৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ ও কাভার্ড ভ্যান, ২৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৩ দশমিক ১৪ শতাংশ বাস, ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ নছিমন-করিমন, ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ৯ দশমিক ২৯ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক এবং ৪ দশমিক ৩২ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। পরিসংখ্যানে দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই মাসে মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৫১ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২২ দশমিক ৫৭ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২১ দশমিক ৮৯ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়। এ ছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ১ দশমিক ১৩ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংঘটিত হয়।

 

"

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়