দেশে মৃত্যু পৌনে ৬ হাজারের কাছাকাছি

প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

দেশে এক দিনে আরো ২৪ জনের মৃত্যুতে নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃতের সংখ্যা পৌনে ছয় হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে; সেই সঙ্গে আরো ১ হাজার ৬৯৬ জনের মধ্যে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে, যা গত এক মাসে সর্বোচ্চ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকাল ৮টা পর্যন্ত শনাক্ত ১ হাজার ৬৯৬ জনকে নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৮২৭ জন হলো। আর গত এক দিনে মারা যাওয়া ২৪ জনকে নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ৭৪৭ জনে দাঁড়াল।

সর্বশেষ এক দিনে এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছিল গত ২১ সেপ্টেম্বর, সেদিন ১ হাজার ৭০৫ জন নতুন রোগী শনাক্তের কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। এরপর দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ১০০ থেকে ১৬৮৪ জনের মধ্যে ঘোরাফেরা করেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরো ১ হাজার ৬৮৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে সুস্থ রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৩২ জন হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ, তা সাড়ে তিন লাখ পেরিয়ে যায় ২১ সেপ্টেম্বর। এর মধ্যে গত ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ১০ অক্টোবর তা সাড়ে পাঁচ হাজারে দাঁড়ায়। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু। তবে এখনো প্রতিদিন ২০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

বিশ্বে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪ কোটি ১২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে; মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১১ লাখ ৩১ হাজারের ঘরে। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে অষ্টাদশ স্থানে আছে বাংলাদেশ আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ৩১তম অবস্থানে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১১০টি ল্যাবে ১৪ হাজার ৯৫৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ২২ লাখ ২১ হাজার ৩৬৯টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৩৪ শতাংশ, এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

 

 

"