এম এ মাসুদ

  ১৭ জুলাই, ২০২১

ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী কাম্য

সাধারণত কোন অঞ্চল বা দেশে ফসলহানি ঘটলে এবং ওই অঞ্চলের মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারলে তখন সেখানে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। ক্ষুধা,  খিদা,  খিদে,  খাদ্যাভাব, অন্নাভাব, আকাল যাই বলি না কেন সবই দুর্ভিক্ষের প্রতিশব্দ মাত্র। এমনকি ভিক্ষার অভাবও দেখা দেয় একই সময়ে। অন্যভাবে বলা যায়, ভিক্ষার অভাব= দুর্ভিক্ষ। 

বিশ্বে দ্রুত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর বৈশ্বিক উষ্ণতা বা গ্রিন হাউস ইফেক্ট ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া গিয়ে পড়ছে কৃষি খাতসহ প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর। বাড়ছে অতি বৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, শীলাবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়ের মত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এছাড়া, ফসলের বিভিন্ন রোগ, পঙ্গপাল ও অন্যান্য কীটপতঙ্গের আক্রমণ বা ইঁদুরের উপদ্রবও ফসল উৎপাদনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়, বিঘ্নিত হয় খাদ্য নিরাপত্তা। দেখা দেয় দুর্ভিক্ষ। আর সেই দুর্ভিক্ষে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হন দরিদ্র জনগোষ্ঠী। 

শুধু তাই নয়, সংঘাতের কারণেও যে খাদ্যাভাব ও অপুষ্টি দেখা দিতে পারে পারে তা সংঘাতে জড়িত অঞ্চল বা দেশেও দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এমন একটি ছবিতে দেখা যায়- সাদা-গোলাপী ফ্রক পরা আলুথালু চুলের একটি শিশু খাবারের প্লেট নিয়ে মাটিতে বসেছিল। জামাটি ভীষণ নোংরা, মুখে এখনো আঘাতের চিহ্ন। পায়ে জুতা নেই। হয়তো সে তার আপনজন হারিয়েছে, সিরিয়ার শরণার্থী শিবিরে দয়ায় বেঁচে থাকা ওই শিশু ক্ষুধার্ত ভেবে নিজের খাবার এক ফটোসাংবাদিককে খাওয়ার জন্য এগিয়ে দিয়েছিল। শিশুটির এ মানবতার জন্যই ছবিটি নিয়ে আলোড়ন চলছে। (সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস)

দীর্ঘ সময় ধরে করোনা মহামারির তান্ডবে 
বিশ্বের অনেক স্থানে জিডিপি কমে যাওয়া, শিল্প-কারখানা বন্ধ, উৎপাদন কমে যাওয়া, কর্মসংস্হান হারিয়ে বেকারত্বের হার বৃদ্ধি , আয় কমে যাওয়া, ব্যবসায় বাণিজ্যে স্থবিরতাভাব,  মুদ্রাস্ফীতি (অত্যধিক অর্থ অতি সামন্য সংখ্যক দ্রব্যসামগ্রীর পিছনে ধাওয়া করা) বৃদ্ধিজনিত কারণে দেখা দিয়েছে অর্থনৈতিক মন্দা। এ মন্দা যেন ১৯৩০ সালের সেই মহামন্দাকেই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। শুধু তাই নয় তছনছ করে দিয়েছে অনেক অঞ্চলের খাদ্য ব্যবস্থাকেও। তবে মহামারির আগেও যে ক্ষুধার সাথে পাল্লা দিয়ে অপুষ্টিও বাড়ছিল তা গত ১৭-২২ জানুয়ারি বার্লিনে ১৩তম ‘গ্লোবাল ফোরাম ফর ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার' (জিএফএফএ) অনলাইন সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টির বেশি দেশের কৃষিমন্ত্রীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে দেয়া তথ্য থেকে জানা যায়।  সন্মেলনে জার্মান কৃষিমন্ত্রী জুলিয়া ক্লোকনার জানিয়েছিলেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণ শুরুর আগেই বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ৬৯ কোটি বা ৬৯০ মিলিয়ন। শতকরা হিসেবে যা বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ৯ ভাগ। করোনাকালে খাদ্য সরবরাহ এবং বাজার স্থিতিশীল থাকলেও অর্থনৈতিক স্থবিরতায় বেকারত্ব এবং আয় হারিয়ে এই সংখ্যা আরও বেড়ে গেছে। বিদ্যমান এই বিশাল ক্ষুধার্ত মানুষের সঙ্গে গত এক বছরে যোগ হয়েছে আরও ১৩ কোটি ক্ষুধার্তমুখ। আর একই সময়ে চরম অপুষ্টির শিকার হয়েছে ৫ বছরের কম বয়সী অন্তত আরো ৭০ লাখ শিশু। 

‘‘খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন, পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যকর খাবার সবার নাগালের মধ্যে রাখার জন্য খাদ্য ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা জরুরি’’

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ১৯৮১ সালে 'দারিদ্র ও দুর্ভিক্ষ' (পোভার্টি অ্যান্ড ফেমিনস) নামে একটি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করেন। ওই নিবন্ধে তিনি বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপনের মাধ্যমে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টির কারণগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেন। সাধারণত দুর্ভিক্ষের কারণ হিসেবে খাদ্যের অভাবকে বা অপ্রতুলতাকে দায়ী করা হয়। অমর্ত্য সেনের মতে, মূল বিষয়টি আসলে সেরকম নয়। খাদ্য বণ্টনে বৈষম্য ও অসমতা মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেলে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

ওই নিবন্ধে তিনি উল্লেখ করেন যে, সমাজের প্রতিটি মানুষের ‘Entitlement’ তথা কোনো দ্রব্যসামগ্রী অর্জনের সক্ষমতা রয়েছে। একজন ব্যক্তির Entitlement বেশকিছু কারণে (যোগানের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম বাস্তবায়ন, ফসলে কীটপতঙ্গের বিস্তার বা যুদ্ধের কারণে খাদ্য বণ্টনে ব্যাঘাত) পরিবর্তন হতে পারে। 

অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের মতে, খাদ্য থাকাটাই খাদ্য-সরবরাহের একমাত্র পূর্বশর্ত নয়, এক্ষেত্রে ওই কারণগুলোও দরিদ্র শ্রেণির পরিবারবর্গের ক্রয়ক্ষমতাকে বিপন্ন করে তোলে। তাই সামাজিক শ্রেণিবর্গকেই খাদ্যের ওপর তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের তুলনায় এ বছর বিশ্বে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতিতে পড়া মানুষের সংখ্যা ছয় গুণ বেড়েছে। ‘দ্য হাঙ্গার ভাইরাস মাল্টিপ্লাইস’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলছে, বিশ্বে মহামারি করোনায় যেখানে মিনিটে ৭ জনের মৃত্যু হচ্ছে সেখানে ক্ষুধায় মারা যাচ্ছে ১১ জন। গত বছরের জুলাইয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অক্সফাম সতর্ক করে বলেছিল, করোনার প্রাদুর্ভাব বিশ্বের ক্ষুধা সংকটকে আরও খারাপ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। করোনার সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিরূপ প্রভাবে সৃষ্ট ক্ষুধায় প্রতিদিন ১২ হাজার মানুষ মারা যেতে পারে।

অক্সফামের আমেরিকার আঞ্চলিক প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী আবি ম্যাক্সম্যান বলেছেন, ‘পরিসংখ্যান বিস্ময়কর, তবে আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে, এই পরিসংখ্যান তৈরি হয়েছে অকল্পনীয় দুর্ভোগের মুখোমুখি ব্যক্তিদের নিয়ে। সংখ্যাটা একজন হলেও অনেক। সংস্থাটি বলছে, বিশ্বজুড়ে ১৫৫ মিলিয়ন মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার চেয়ে খারাপ বা আরও খারাপ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে যা গত বছরের চেয়ে প্রায় ২০ মিলিয়ন বেশি। এর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ খেতে পারে না কারণ তাদের দেশে সামরিক সংঘাত চলছে।

খাদ্য সংকট ২০২১ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী জুনের মাঝামাঝি সময়ে ইথিওপিয়া, মাদাগাস্কার, দক্ষিণ সুদান আর ইয়েমেনে দুর্ভিক্ষের সবচেয়ে তীব্র পর্যায়ে পড়া মানুষের সংখ্যা ৫ লাখ ২১ হাজার ৮১৪। গত বছরের ৮৪ হাজার ৫০০ এর চেয়ে যা ৫০০ শতাংশ বেশি।

মহামারির প্রাদুর্ভাবের ফলে সৃষ্ঠ অর্থনৈতিক পরিণতির কারণে ইয়েমেন, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি), আফগানিস্তান এবং ভেনেজুয়েলাসহ এমন অনেক দেশে বিদ্যমান খাদ্য সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে বলে জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

অক্সফাম বলছে, এর তিনটি প্রধান কারণ হলো কোভিড-১৯, জলবায়ু সংকট এবং সংঘাত। মহামারির প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে যুদ্ধগুলো ক্ষুধার একক বৃহত্তম চালক ছিল যা ২৩টি দেশের প্রায় ১০০ মিলিয়ন মানুষকে খাদ্য সংকটের আরও খারাপ স্তরে ঠেলে দিয়েছে।

সোমবার প্রকাশিত জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী মহামারির বছরে বিশ্বে ক্ষুধা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে আফ্রিকায়।
জাতিসংঘ বলছে, ২০২০ সালে বৈশ্বিক ক্ষুধা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। মহামারির প্রভাব পুরোপুরি খতিয়ে দেখা না হলেও কয়েকটি সংস্থার এক যৌথ প্রতিবেদনের হিসাব অনুযায়ী, বৈশ্বিক জনসংখ্যার প্রায় ১০ ভাগ বা ৮১ কোটি ১০ লাখ মানুষ গত বছর অপুষ্টিতে ভুগছে। 

এমনকি মহামারির আগেও ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছিল, পিছিয়ে পড়ছিল অপুষ্টি নিয়ে অগ্রগতি। সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা বা অন্য অর্থনৈতিক মন্দাপীড়িত অথবা উচ্চ বৈষম্য সবগুলোকেই প্রতিবেদনে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং যা পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত--বিরুদ্ধে লড়তে থাকা দেশগুলোতে বেশি ঘটে।

বিশ্বের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির অবস্থা শীর্ষক প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার দ্বিতীয় লক্ষ্য (২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বকে ক্ষুধামুক্ত করা) পূরণ হবে না এবং প্রায় ৬৬ কোটি মানুষ ক্ষুধার্তই থেকে যাবে। এই ৬৬ কোটির মধ্যে প্রায় ৩ কোটি মহামারির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

খাদ্য নিরাপত্তার অভাব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে উত্তরণের পথও বাতলে দিয়েছে বিশ্ব সংস্থাটি। 
গত বছরের প্রতিবেদনে যেমনটা বলা হয়েছিল যে, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন, পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যকর খাবার সবার নাগালের মধ্যে রাখার জন্য খাদ্য ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা জরুরি। এই বছরের সংস্করণটিতে একটি দেশ নির্দিষ্ট কোন ধরণের চালিকা শক্তির মুখোমুখি তার ওপর নির্ভর করে প্রতিবেদনে নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহবান জানিয়ে “পরিবর্তনের ছয়টি উপায়ের” কথা তুলে ধরা হয়েছে। 

সংঘাতময় স্থানগুলোতে মানবিক, উন্নয়ন এবং শান্তি-প্রতিষ্ঠার নীতিমালাগুলোকে একীভূত করতে সামাজিক সুরক্ষামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া যাতে খাদ্যের বিনিময়ে তাদের সামান্য সম্পদ বিক্রি করতে না হয়, খাদ্য ব্যবস্থা জুড়ে জলবায়ু মোকাবিলায় সক্ষমতা জোরদার করতে ক্ষুদ্র চাষিদের জলবায়ু ঝুঁকি বীমা এবং পূর্বাভাসভিত্তিক অর্থায়নে অংশগ্রহণের বিস্তৃত সুযোগ প্রদান, প্রতিকূল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবচেয়ে ঝুঁকির মুখে থাকা জনগোষ্ঠী সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে মহামারির মতো ঘটনার ধাক্কা বা খাদ্যমূল্যের ওঠানামার প্রভাব কমাতে নগদ অর্থ বা এ ধরনের সহায়তামূলক কর্মসূচি গ্রহণ, পুষ্টিকর খাবারের দাম কমিয়ে আনার জন্য সরবরাহ ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করতে জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার করে ফসল উৎপাদনে উৎসাহিত করে বা ফল ও সবজি উৎপাদকদের পণ্য বাজারে বিক্রি সহজ করা ও দারিদ্র্য এবং কাঠামোগত বৈষম্য সামাল দিতে প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং প্রত্যায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র কমিউনিটিগুলোতে খাদ্য মান শৃঙ্খল বা ফুড ভ্যালু চেইন জোরদার করার এবং খাদ্য পরিবেশ শক্তিশালী এবং ভোক্তাদের আচরণ পরিবর্তন করতে খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে শিল্পজাত ট্রান্স ফ্যাট বাদ দিয়ে, লবণ ও চিনির পরিমাণ কমিয়ে বা খাদ্য বিপণনের নেতিবাচক প্রভাব থেকে শিশুদের রক্ষা করার মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি  নিশ্চিত করা সম্ভব। 

সরকারের অনুকূল কৃষিনীতি ও প্রণোদনায় কৃষক ও কৃষিবিদদের  সম্মিলিত প্রচেষ্টা আমাদের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে অবদান রাখছে। বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, আম উৎপাদনে সপ্তম, আলু উৎপাদনে সপ্তম এবং পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম স্থানে থেকে বিশ্বে প্রশংসিত। 

শুধু খাদ্য উৎপাদনে নয় পুষ্টির ক্ষেত্রেও প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। খর্বাকৃতির (স্টান্টিং) প্রবণতা ২০১২-১৩ সালের ৩৬ শতাংশ থেকে ২০১৯-এ ২৮ শতাংশে নেমেছে। তবে দেশে এখনো পুষ্টির পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রয়েছে। 

যাই হোক, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বকে ক্ষুধামুক্ত করতে চাইলে পৃথিবীতে আসন্ন বিপজ্জনক জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে অবশ্যই প্যারিস চুক্তিকে কার্যকর করা, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাত বন্ধ করা, ফসল উৎপাদনে প্রতি ইঞ্চি মাটির ব্যবহার নিশ্চিত করা সর্বোপরি মহান সৃষ্টিকর্তা করোনা নামক বৈশ্বিক মহামারি থেকে মুক্তি দিলে তবেই ক্ষুধামুক্ত হবে পৃথিবী, স্থায়ী হবে শান্তি। সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।  

এম এ মাসুদ
[email protected]  

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
ক্ষুধামুক্ত,পৃথিবী,এম এ মাসুদ
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close