নিজস্ব প্রতিবেদক

  ০৩ আগস্ট, ২০২২

হৃদয় থেকে মোছেনি বঙ্গবন্ধুর নাম

ফাইল ছবি

আজ শোকাবহ আগস্টের তৃতীয় দিন। ১৯৭৫ সালের ৩ আগস্ট ছিল রবিবার। ঘাতকেরা জাতির জনককে হত্যা করলেও মুছে ফেলতে পারেনি বাঙালীর হৃদয় থেকে। একদল বিপদগামী সেনা কর্মকর্তারা তাকে সপরিবারে হত্যা করে। দেশের বাইরে থাকায় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রাণে বেঁচে যান।

বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে বিদ্রোহের আগুন জ্বলেছে। আর হাজার বছরের বিদ্রোহের আগুনের সন্নিবেশ ঘটিয়ে জন্মেছিলেন টুঙ্গিপাড়ার সেই ছেলেটি। যার জন্মদিবসে ধরণীতে সূর্য ছড়িয়েছিল মুক্তির আভা। যার জন্ম মানেই শোষিতের জয়গান আর শোষকের প্রস্থান। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যে নামের বন্দনা কোনো সীমারেখায় আটকে রাখা যায় না। তিনি জন্মেছিলেন বাঙালির মুক্তির তাগিদেই। বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালি, বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু মানেই বঞ্চিত মানুষের মুক্তির ঠিকানা। অথচ মানবতার সেই মুক্তির দূতকেই হারতে হয়েছে স্বজাতির কাছে। বাঙালির আকাশে সেই যে আঁধার নামল, তা আজও ঘোচেনি। স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বাংলাদেশ, জাতি এগিয়েছে বহুদূর। এগিয়েছে বিশ্বসভ্যতাও। কিন্তু বাঙালির পূব আকাশে যে সূর্য উদিত হওয়ার ঊষালগ্নেই অস্ত গেল, তা আজও অমানিশার ঘোরে আটকা। জনককে হারিয়ে জাতি আজও হাতড়ে বেড়ায় সংকটের প্রতিক্ষণে।

১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ সাল। রক্তের অভিশপ্ত হলিখেলার দিন। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে যখন আলোর নিশানা দেখিয়ে এগিয়ে নিচ্ছিলেন বঙ্গবন্ধু, ঠিক তখনই ‘আগস্ট’ নামের অন্ধকার নেমে আসে। ঘাতকের বুলেট নিভিয়ে দিয়েছে ‘স্বাধীনতার সূর্য’ বঙ্গবন্ধু নামের প্রদীপ। এখানে সূর্য ওঠে প্রতিদিন। নতুনের কেতন উড়িয়ে মানুষ স্বপ্নজয়ের প্রত্যয়ে এগিয়েও চলে নিত্যদিন। তবু সে স্বপ্নে অপূর্ণতা রয়ে যায়। সে অপূর্ণতা যেন শুধুই স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধুকে হারানোর। তাই যেন আগস্টের অশ্রু বয়ে যায় নয়নে নয়নে।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
বঙ্গবন্ধুর নাম,শোকাবহ আগস্ট
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close