reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ০৫ ডিসেম্বর, ২০২১

ইউক্রেন উত্তেজনা নিয়ে বাইডেন-পুতিন বৈঠক

ফাইল ছবি।

ইউক্রেন নিয়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আবারো বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন।

রবিবার (৫ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এবং সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ইউক্রেন সীমান্তে বিপুল সংখ্যক রুশ সেনা মোতায়েন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই আগামী মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) বৈঠকে বসছেন বাইডেন ও পুতিন। তবে বৈঠকটি মুখোমুখিভাবে নয়, হবে ভিডিওকলের মাধ্যমে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ।

রাশিয়া ইউক্রেনে "বড় ধরণের" হামলা চালাতে যাচ্ছে বলে আমেরিকার হাতে প্রমাণ আছে বলে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনি ব্লিঙ্কেন এমন বক্তব্যের পরই এই বৈঠকের খবর জানা গেছে।

তবে ব্লিঙ্কেন এও বলেছিলেন যে, পুতিন ইউক্রেন দখলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না তা এখনো স্পষ্ট না। রাশিয়া এমন কোন ইচ্ছা পোষণের কথা অস্বীকার করেছে। বরঞ্চ তারা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে নিজস্ব বাহিনী গড়ে তোলার অভিযোগ তুলেছে।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজের প্রেস সচিব জেন সাকি বলেন, রুশ প্রেসিডেন্টের সাথে এই ভিডিও বৈঠকে বাইডেন ইউক্রেন সীমান্তে রুশ সেনাবাহিনীর কার্যক্রম নিয়ে মার্কিন উদ্বেগ তুলে ধরবেন এবং ইউক্রেন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করবেন।

এদিকে, ইউক্রেন বলছে, রাশিয়া সাঁজোয়া যান ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জামসহ ৯৪ হাজার সৈন্য সমাবেশ করেছে তাদের সীমান্তে। এ বছর সেপ্টেম্বরে ইউক্রেনে আমেরিকান এবং নেটো জোটের ১২টিরও বেশি দেশের সৈন্যদের সাথে ইউক্রেনের সৈন্যদের যৌথ মহড়া

২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রাইমিয়া দখল করে নেয়ার পর দেশটির সীমান্তে এটাই রাশিয়ার সর্ববৃহৎ সৈন্য সমাবেশের ঘটনা।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেকসি রেযনিকভ বলেন, জানুয়ারির শেষ নাগাদ হয়তো একটি আক্রমণের পরিকল্পনা করছে মস্কো।

রাশিয়া যদি আগ্রাসী আক্রমণে যায় তাহলে দেশটির উপর অর্থনৈতিক অবরোধ করার ব্যাপারে আলোচনা সেরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার ইউরোপীয় মিত্ররা।

ইউক্রেন ন্যাটো সদস্য না হলেও এর সদস্যদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে দেশটির এবং দেশটি পশ্চিমা যুদ্ধ সরঞ্জামও পেয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মার্কিন জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ক্ষেপণাস্ত্র।

রুশ কর্মকর্তারা কোন দখলের পরিকল্পনার অভিযোগ নাকচ করে বলছেন, সীমান্তে সেনাবাহিনীকে জড়ো করা হয়েছে সামরিক মহড়ার জন্য। বরং ন্যাটো ক্রাইমিয়ার কাছে কৃষ্ণ সাগরে মহড়া চালিয়ে উসকানিমূলক আচরণ করেছে।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এও বলেছে, ইউক্রেনও তাদের সীমান্তে সোয়া লক্ষ্য সৈন্য সমাবেশ করেছে। এই দাবির ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে কিয়েভ।

প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও পুতিন তাদের সর্বশেষ মুখোমুখি বৈঠক করেছিলেন চলতি বছরের জুন মাসে।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
ইউক্রেন,উত্তেজনা,বাইডেন-পুতিন,বৈঠক
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close