reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ০৩ ডিসেম্বর, ২০২১

ওমিক্রন নিয়ে সতর্ক হওয়ার আহ্বান ডব্লিউএইচও’র

বিশ্বব্যাপী করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন এরইমধ্যে বিশ্বের ৩০টি দেশে সংক্রমিত হয়েছে। যেকারণে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি করোনা বিধিনিষেধে কড়াকড়ি আরোপ করেছে বিভিন্ন দেশ। এরই মধ্যেই এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোকে সতর্কতামূলক প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এছাড়াও সংক্রমণ বৃদ্ধি ও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বিশ্বের দেশগুলোকে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) এই আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। খবর রয়টার্সের।

খবরে বলা হয়, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার অংশ হিসেবে সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দিলেও অস্ট্রেলিয়াই হলো সর্বশেষ দেশ, যেখানে করোনার নতুন ধরনের সামাজিক সংক্রমণ ঘটার তথ্য পাওয়া গেছে। এর একদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি অঙ্গরাজ্যে ওমিক্রন সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

ওমিক্রনের সংক্রমণ ইতিমধ্যে এশিয়া, আফ্রিকা, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ৩০টির বেশি দেশে শনাক্ত হয়েছে। আর প্রথম শনাক্ত হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার ৯টি প্রদেশের মধ্যে সাতটিতেই এই ধরনটিতে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরার চেষ্টায় অনেক দেশের সরকার ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরও কড়াকড়ি করেছে।

ডব্লিউএইচওর পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলবিষয়ক পরিচালক তাকেশি কাসেই বলেন, ‘সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া সাময়িকভাবে বিলম্বিত করা যেতে পারে। কিন্তু প্রতিটি দেশ ও কমিউনিটিকে অবশ্যই সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার ব্যাপারে তৈরি থাকতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে তাকেশি আরও বলেন, ‘সীমান্ত নিয়ে গৃহীত পদক্ষেপের ওপরই শুধু নির্ভর করে থাকলে মানুষের চলবে না, যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হলো, সম্ভাব্য উচ্চ সংক্রমণ সক্ষমতার এই ধরনটিকে নিয়ন্ত্রণে নিজেদের প্রস্তুতি নিতে হবে। এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তাতে এ ইঙ্গিতই পাওয়া যায়, আমরা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাচ্ছি না।’

প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডব্লিউএইচওর এই কর্মকর্তা সব দেশের সরকারগুলোর প্রতি ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে পূর্ণ ডোজ টিকার আওতায় আনা এবং সবাইকে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো পদক্ষেপ কার্যকর করার আহ্বান জানান।

দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিজের বিজ্ঞানী মিশেল গ্রুম বলেন, ওমিক্রন নিয়ে তার দেশ এ মুহূর্তে করোনার এক নজিরবিহীন ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মুখোমুখি। উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকায় গত ৯ নভেম্বর প্রথম ওমিক্রন শনাক্ত হয়। তারপর থেকে বিভিন্ন দেশে দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে করোনার নতুন এই ধরন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহামারি বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যান কেরখোভ এক বিবৃতিতে বলেন, ওমিক্রন কতটা সংক্রামক তা কয়েকদিনের মধ্যে হয়তো জানা সম্ভব হবে।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
ওমিক্রন,ডব্লিউএইচও,করোনা,কোভিড
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close