‘লাদেন’ কিনলে ষাঁড় ফ্রি

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২০, ১২:৩৫ | আপডেট : ১১ জুলাই ২০২০, ১২:৪৯

​আবদুল আজিজ, হিলি

দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) উপজেলার গরু খামারি মাহফুজার রহমান বাবু। কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবারে তার খামারে বেশ কয়েকটি বড় আকারের গরু রয়েছে। একটির নাম রেখেছেন ‘লাদেন’। দাম ১৫ লাখ টাকা।

কথা হয় লাদেনের (ষাঁড়) মালিক মাহফুজার রহমানের সাথে। তিনি জানান, চার বছর আগে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অফিসের মাধ্যমে নেওয়া ব্রাহমা জাতের বীজে খামারের গাভী থেকে জন্ম নেয় গরুটি। এরপর থেকেই সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতি ও প্রাকৃতিক খাবার দিয়ে যত্ন সহকারে ষাঁড়টিকে লালন পালন করেন। আকারে বড় হওয়ায় ব্রাহমা জাতের ষাঁড়টির নাম দিয়েছেন লাদেন।

তিনি আরও জানান, সাদা-কালো বর্ণের ব্রাহমা জাতের লাদেনের উচ্চতা ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি, লম্বা ১১ ফুট ৬ ইঞ্চি। লাদেন নামে গরুটির ওজন প্রায় ১১০০ কেজি। এ পর্যন্ত গরুটির পেছনে ব্যয় হয়েছে ৪ লাখ টাকা। তার দাবি, এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় গরু এবং দেশের ১০টি গরুর মধ্যে তার গরুটিও বড় আকারের দলের মধ্যে থাকবে। কাঙ্ক্ষিত দামে লাদেন নামের ষাঁড় গরুটি বিক্রি হলে ক্রেতাকে ফ্রি হিসেবে দেশীয় ছোট আকারের একটি ষাঁড় গরু উপহার দেবেন বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তবে এখন পর্যন্ত কোনও ক্রেতার সাড়া না পাওয়াই চিন্তিত মাহফুজার রহমান বাবু।

হাকিমপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদের ভ্যাটেনারি সার্জন রতন কুমার জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে একেবারেই প্রাকৃতিক ও নির্ভেজাল পদ্ধতিতে ষাঁড়টি লালন পালন করা হয়েছে। মাহফুজার রহমান বাবুর খামারের গরুগুলো দেখতে একেবারেই দৃষ্টিনন্দন।

তিনি আরও জানান, এবারের কোরবানির ঈদে গরুর খামারিদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মার্কেটিং। এ ধরনের ষাঁড় বা দামি গরুগুলো সাধারণত ঢাকাসহ বাইরের ক্রেতারা কিনে থাকেন। আমরা বিভিন্ন পর্যায়ে চেষ্টা করছি আগ্রহী ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। এছাড়াও প্রাণিসম্পদ অফিসের মাধ্যমে অনলাইনে গরু ক্রয় বিক্রয়ের জন্য ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছে। সেই পেজে আমরা ব্যাপকভাবে ক্রেতাদের সাড়া পাচ্ছি।

পিডিএসও/হেলাল