তাড়াশে খানাখন্দে ভরা সড়কে ভোগান্তি

প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২০, ১১:৫২

মৃণাল সরকার মিলু, তাড়াশ

১০ কিলোমিটার পাকা সড়কের প্রায় ২৫-৩০টি স্থানে মাত্র তিন ফুট বিশাল গর্ত ও বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দে ভরা সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা তাড়াশ-বারুহাস সড়কে ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ। এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন তাড়াশ ও নাটোরের সিংড়া উপজেলার ১২ গ্রামের প্রায় ৩০-৫০ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। 

এই সড়কটি উপজেলার তাড়াশ-বারুহাস জেলা-উপজেলা সদরে যোগাযোগের একমাত্র পথ। বিকল্প সড়ক না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে হাজারো মানুষ এবং ছোট ও মাঝারি যানবাহন। এতে ঘটছে ছোটবড় দুর্ঘটনা। বিশেষ করে কৃষিপণ্য উপজেলা সদরে সরবরাহ করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন চলবিল অধ্যুষিত এই অঞ্চলের কয়েক হাজার কৃষক।

জানা যায়, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্মিত সড়কটিতে এসব গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটির চৌবাড়িয়া, বিনীতপুর, সরাবাড়ি, হেদারখালসহ প্রায় ২৫-৩০টি জায়গায় কার্পেটিং সম্পূর্ণ উঠে গেছে। এতে ওই দুই-তিন ফুট এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে বিশাল গর্ত। সামান্য বৃষ্টিতে গভীর গর্তে জমে থাকে পানি। আর পানি শুকালেই কাদায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে রাস্তাটি। 

সড়কটির বিনোদপুর বাজার এলাকায় আরও একটি বড় গর্ত ছাড়াও বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। কৃষক ধান, গম ও ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল জেলা ও উপজেলা সদরে সরবরাহ করেন এ রাস্তা দিয়েই। তবে সড়কের চৌবাড়িয়া এলাকায় বিশাল গর্তের কারণে শষ্য নিয়ে উপজেলা সদরে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তবু জরুরি প্রয়োজনে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে। 

বারুহাস বাজারে, হেদারখালে, সড়াবাড়ি ব্রীজে বিনোদপুরের ও পাশে এরকম প্রচুর খানাখন্দে ভরপুর। তাড়াশ টু বারুহাসের ১০ কিলোমিটার পথে প্রায় ২৫ এর অধিক এমন মৃত্যুকূপ আছে। অথচ প্রতিনিয়ত জনপ্রতিনিধি, নেতাকর্মীরা এদিক দিয়ে চলাফেরা করেন। তাদের কি এগুলো চোখে পড়ে না, এই যদি হয় সবচেয়ে ভালো মনিটরিংয়ের চিত্র, তাহলে লজ্জা রাখার আর জায়গা কোথায়।

তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী বাবলু মিঞা বলেন, তাড়াশ-বারুহাস সড়কটি সার্ভে করা হয়েছে। দ্রুত টেন্ডার হচ্ছে এবং তাড়াশ-কুন্দইল সড়কের তাড়াশ থেকে দীঘি সগুনা পর্যন্ত টেন্ডার হবে। 

পিডিএসও/হেলাল