ফুলবাড়িয়ায় ত্রাণের চাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১

প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২০, ১৬:৩৯ | আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২০, ১৭:০২

ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ )প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার দশমাইল বাজারে ত্রাণের চালসহ একটি পিকআপ আটক করে স্থানীয়রা। এ সময় চালক পালানোর চেষ্টা করলে তাকেও আটক করা হয়। পরে পুলিশ আটককৃত চাল ও চালককে থানায় নিয়ে আসে। চাল শনাক্ত নিশ্চিত না হওয়ায় পিকআপ চালক রফিকুল ইসলামকে (৩২) ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।

শুক্রবার সকালে চাল পাচারের চেষ্টা করলে দশমাইল বাজারে স্থানীয় জনতা চাউলসহ পিকআপটি আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। ফুলবাড়িয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে চালকসহ আটককৃত চাল জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।

এলাকাবাসীর দাবি বৈশ্বিক মহামারি করোনা মোকাবিলায় বৃহস্পতিবার ফুলবাড়িয়া পৌরসভার ৩ শতাধিক পরিবারের মাঝে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেছে। সেদিন কিছু চাল পৌর কর্তৃপক্ষ কালোবাজারে বিক্রি করেছে। কে বা কারা বিক্রি করেছে তা স্পষ্ট হতে অফিস খোলা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চালগুলো কালোবাজারী লালু মিয়ার গুডাউন থেকে পিকআপ ভর্তি করা হয়। আটককৃত চালকের তথ্যে সন্ধ্যায় থানা পুলিশ লালু মিয়ার বাসায় অভিযান চালায়। তবে তাকে বাসায় পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কাউন্সিলর আক্ষেপ করে বলেন, কালোবাজারীরা মেয়রের বাড়ীর আশ-পাশের বাসিন্দা। ২, ৩ ও ৪ নং ওয়ার্ডে চালের কার্ড সবচেয়ে বেশি দেয়। এ চাল তাদেরই হবে। যদি চালককে রিমান্ডে আনা হয় তাহলেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে। ফুলবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র ও সচিবের সাথে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা ফোন রিসিভ করেন নি।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হুমায়ুন কবির বলেন, অফিস খোলা না হওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না, সেটি আমাদের চাল কি না। তবে যেহেতু প্লাস্টিকের বস্তায় চাল সেটি আমাদের না হওয়ার সম্ভবনাই বেশি।

থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, ৮৪০ কেজি চালসহ পিকআপ ভ্যানটি স্থানীয়রা আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। চাল জব্দ করে থানায় রাখা হয়েছে। সরকারি চাল কিনা তা নিশ্চিত না হওয়ায় আটক পিকআপ চালক রফিকুল ইসলামকে ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়। সে উপজেলার দেওখোলা ইউনিয়নের কুকরাইল গ্রামের আ. খালেকের ছেলে।

পিডিএসও/এসএম শামীম