নীলফামারী পৌরসভার ৩২তম বাজেট ঘোষণা

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২০, ১৭:৪৪

নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারী পৌরসভার ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের জন্য ৬৭ কোটি ৮৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে পৌর ভবনে নাগরিকদের সামনে উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করেন পৌরসভা মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ। এটি তার টানা ছয়বাবের মেয়াদে ৩২তম বাজেট। দেওয়ান কামাল আহমেদ ১৯৮৯ সালে পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সেই থেকে একটানা ষষ্ঠ বার নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দেওয়ান কামাল আহমেদ। 

ঘোষিত বাজেটে উন্নয়ন খাতে আয় ও ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫টাকা। 

আর রাজস্ব খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৭১ লাখ ৯২ হাজার টাকা। রাজস্ব খাতে উদ্বৃত্ত রাখা হয়েছে ৬ লাখ ৬১ হাজার ৩৫ টাকা।

উম্মুক্ত বাজেট ঘোষণার ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত নাগরিকবৃন্দ সরাসরি এবং অন্যান্য নাগরিকগণ নির্ধারিত মুঠোফোনে পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরগণকে তাদের এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করেন। পৌর মেয়রসহ কাউন্সিলরগণ এসব প্রশ্নের উত্তরসহ উত্থাপিত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

এ সময় চলতি করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জনসচেতনতা সৃষ্টি ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণসহ পৌরসভার বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন পৌর মেয়র। পাশাপাশি ডেঙ্গু মোকাবেলায় পৌরসভার বিভিন্ন কার্যক্রমের কথাও জানান। এসময় শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে পৌরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন পৌর মেয়র।

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী তারিক রেজা, সচিব মশিউর রহমান, সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সভাপতি তাহমিনুল হক ববী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরগণ। 

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানটি অন্যান্য বছরের মতো স্থানীয় ক্যাবল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

এদিকে একই দিন দুপুরে জেলার জলঢাকা পৌরসভায় ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের জন্য ২১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। পৌরসভা অস্থায়ী কার্যালয় চত্বরে বাজেট ঘোষণা করেন পৌর মেয়র ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট। ঘোষিত বাজেটে ১৫ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৩৩ টাকা উদ্বৃত্ত  রাখা হয়েছে। রাজস্ব খাতে ২ কোটি ৯৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৩৩ টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ১৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা আয় ধরা হয়েছে। 

বাজাটে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প এবং বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস ও ডেঙ্গুমশা সংক্রমণ রোধকল্পে জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।