উখিয়া উপজেলাকে রেড জোন ঘোষণা

সোমবার থেকে লকডাউন

প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২০, ০৯:১৪ | আপডেট : ০৭ জুন ২০২০, ০৯:৪০

কক্সবাজার প্রতিনিধি

করোনাভাইরাস রোধে এবার কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়নকে ‘রেড জোনে’র আওতায় আনা হয়েছে। রোববার রাত ১২টা থেকে টানা ১৪ দিনের জন্য এই রেড জোনে কড়াভাবে ‘লকডাউন’ চলবে। 

এরআগে কক্সবাজার পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডকেই ‘রেড জোনে’র আওতায় আনা হয়। গত শনিবার (৬ মে) রাত ১২টা থেকে টানা ১৪ দিনের জন্য এই রেড জোনে ‘লকডাউন’ চলছে। ইতোমধ্যে রেড জোনসম্পর্কিত ৭টি নির্দেশিকা দিয়েছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামাল হোসেন।

আগামী ২০ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত পৌর এলাকাজুড়ে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করা হবে। এই সময়ে জেলা প্রশাসনের দেওয়া সমস্ত নির্দেশনা মানতে হবে।

জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নকে ৬ জুন রেড জোন ঘোষণা করা হয়। করোনার হটস্পট হিসেবে পরিচিত পাওয়া উখিয়া উপজেলার কোট বাজারসহ আরও দুটি ইউনিয়নের ৭টি ওয়ার্ডকে রেড জোনের আওতায় আনে স্থানীয় প্রশাসন।

রেড জোনের আওতায় উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ২, ৫, ৬ ও ৯ নাম্বার ওয়ার্ড, পালংখালী ইউনিয়নের ১, ৪ ও ৭ নাম্বার ওয়ার্ড এবং রত্নাপালং ইউনিয়নের কোটবাজার এলাকা। 

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, করোনা রোগীর সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনটি ইউনিয়নের ৮টি ওয়ার্ডকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। চিহ্নিত রেড জোন এলাকায় ৭ জুন রাত ১২টা পর থেকে ২১ জুন রাত ১১টা ৫৯ পর্যন্ত ১৪ দিন লকডাউনে থাকবে।

এবারের লকডাউনে অনেকটা কড়াকড়ি করছে প্রশাসন। আগের মতো প্রতিদিন সীমিত পরিসরে হলেও বাজার খোলা থাকছে না। শুধু রোব ও বৃহস্পতিবার কাঁচাবাজার ও মুদি দোকান স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলতে পারবে। এই সময়ে শুধু ওষুধের দোকান ছাড়া কোনো ধরণের দোকান, মার্কেট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা যাবে না। সব ধরণের ব্যক্তিগত ও গণপরিবহনও বন্ধ থাকবে। গণপরিবহন টার্মিনাল ‘রেড জোনে’র বাইরে স্থানান্তর করতে হবে।

১৪ দিনের এই লকডাউনে জরুরি সংবাদ সংগ্রহের কাজে সাংবাদিকদেরও প্রেসক্লাব থেকে কার্ড নিতে হয়েছে।

কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ উল্লাহ মারুফ জানান, জেলার অন্যান্য উপজেলার চেয়ে কক্সবাজার পৌর এলাকায় সবচেয়ে বেশিসংখ্যক করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাই করোনা প্রতিরোধ-সংক্রান্ত জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমগ্র পৌরসভাকে ‘রেড জোনে’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পিডিএসও/হেলাল