কোটালীপাড়ায় আম্ফান পরবর্তী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠ পরিদর্শন

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২০, ১৫:০৭

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় বুধবার রাতে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে মাঠ ফসলের ক্ষতি হওয়া পর্যবেক্ষণ করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। শনিবার উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ নিটুল রায়ের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি টিম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঠ পরিদর্শন করেন। 

এ সময়  কৃষি অফিসার কৃষিবিদ নিটুল রায় বলেন, আমরা তাৎক্ষণিকভার ঝড়ের পরদিন মাঠ ভিজিট করে একটা আংশিক ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট করেছি। বর্তমানে সেই ক্ষতি কোন পর্যায়ে আছে সেটা নির্ধারণের জন্য আমাদের ভিজিট অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বোরো ধান কর্তন প্রায় শতভাগ হয়েছে। অল্প কিছু যা ছিল সেটা চাষীরা কর্তন করছে, তাতে ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। এছাড়া আমাদের উপজেলায় ১০ হেক্টর আউশ বীজতলা হয়েছে। এর ১০ শতাংশ এবং ২ হেক্টর জমির বীজতলার কিছুটা পানিতে তলিয়ে রয়েছে, কিছুটা পানি কমে যাওয়ায় বীজতলা জেগে উঠেছে।

৮৯৫ হেক্টরে পাট/ মেস্তার মধ্যে ১৩৪ হেক্টর জোয়ারের পানি ফেপে ওঠে পাট/ মেস্তার ক্ষেতে ১.৫ -২.০ ফুট পানি প্লাবিত ছিল, এখন পানি কমে যাওয়ায় তার ক্ষতি কিছুটা কমবে। ৫ হেক্টরে তিল ছিল তা ক্ষতিতে পরিণত হবে। মুগডাল ৪০ হেক্টরের মধ্যে ৮ হেক্টরে কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। বাদাম ক্ষেতে পানি জমে থাকায় তার কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। শাকসবজি ছিল ৪৮০ হেক্টর, তার মধ্যে ৯৬ হেক্টর শাকসবজির ২০ শতাংশ ক্ষতি হতে পারে। 

উপজেল উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা কৃত্তিবাস পান্ডে বলেন, আস্ফান পরবর্তী ক্ষতি নির্ধারণে আমাদের ভিজিট অব্যাহত রয়েছে। আমাদের টিম আজ ভোরে রওনা হয়ে পৌরসভা, আমতলী, বান্ধাবাড়ী ভিজিট শেষে আমরা এখন সাদুল্লাপুর এসেছি। এটা পরিদর্শন করে পশ্চিমপাড় পৌছাবো। 

তিনি বলেন, চাষীরা যাতে করোনা পরবর্তী ও আম্ফান পরবর্তী ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে সুযোগ সুবিধা বা নতুন ফসলের ধারায় ফিরিয়ে আনতে পারে সেজন্য আমাদের টিমের এই প্রচেষ্টা।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি অফিসার রমেন্দ্রনাথ হালদার, বিকাশ সরকার, সুুধাংশু হালদার, সুমন মৈত্র।

পিডিএসও/তাজ 

সর্বাধিক পঠিত