বাইক থেকে ফেলে দেওয়া ইমনের জ্ঞান ফেরেনি

প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১৩:৫১ | আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১৪:১৮

উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধি

বন্ধুদের সঙ্গে বাইকে করে পূজামণ্ডপে ঘুরতে গিয়ে ১২ দিন ধরে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় আইসিইউতে বাবুগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুরের ইমাম হোসেন ইমন (১৪)। সে জাহপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।

বন্ধুরা ওই স্কুলছাত্রকে চলন্ত বাইক থেকে ফেলে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। এমন অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখ করে ১৩ অক্টোবর বাবুগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন ইমনের পিতা নাসির উদ্দিন বেপারী। পুলিশ সোহেল হাওলাদার নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে, সে বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে।

জানা গেছে, ইমাম হোসেন ইমনকে ৫ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে পূজা দেখার নাম করে একই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে নুরুন নবী মোবাইল ফোনে ডেকে নেয়। এ সময় তার সঙ্গে নবীর আরো তিন সহযোগী—ঠাকুর মল্লিক গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে হাসান, ইসলামপুর গ্রামের আমির হোসেন হাওলাদারের ছেলে সোহেল চরহোগল, পাতিয়া গ্রামের ফারুক আকনের ছেলে মুন্না একত্রে বাড়ি থেকে বের হয়। ইমনের বাবা মামলার বাদী নাসির উদ্দিন জানান, ওইদিন রাতে বন্ধুরা পূজামণ্ডপে ঘুরে বেড়ানোর এক পর্যায়ে বন্ধুদের সঙ্গে ইমনের মতপার্থক্য হলে তাকে চলন্ত বাইক থেকে ফেলে হত্যার চেষ্টা করে।

এক পর্যায়ে আহত স্কুলছাত্র ইমনকে নুরুন নবীর বাড়িতে একটি ঘরে আটকে রেখে হত্যার জন্য দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন করে। পরদিন ৬ অক্টোবর দুপুর দেড়টার দিকে ইমনকে আটক রাখার খবর পেয়ে অচেতন অবস্থায় নবীনদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (পিজি) পাঠানো হয়। বর্তমানে ওই হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ইমন এখনো শংকামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বাবুগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, বাইকে করে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া ইমনের বাবার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নিয়েছি। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পিডিএসও/হেলাল