আবরারের ছোটভাইকে মারধর করলো পুলিশ

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১৮:৩৭ | আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১৮:৪৯

অনলাইন ডেস্ক

বুয়েট শিক্ষার্থী নিহত আবরার ফাহাদের ছোটভাই ফায়াজকে পুলিশ মারধর করেছে বলে জানা গেছে। বুধবার আবরারের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় রায়ডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বুধবার দুপুরে আবরারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে রায়ডাঙ্গা গ্রামে যান বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। সেখানে ভিসিকে বাঁধা দেন এলাকাবাসী। পরে এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ, তার ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও আরও একজন নারীসহ ৫ জন আহত হন।

এ সময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ বলেন, কুষ্টিয়ার অ্যাডিশনাল এসপি তাকে কনুই দিয়ে আঘাত করেছেন। এবং গতকাল তার ভাইয়ের জানাজার সময় বলেছিলেন দুই মিনিটে যেন জানাজা শেষ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান,  বুয়েট ভিসি আবরারের কবর জিয়ারত করতে পেরেছেন। তবে আবরারের বাড়িতে ঢুকতে পারেননি তিনি। আবরারের বাড়িতে ঢোকার আগে উপাচার্যকে বাধা দেয় স্থানীয় গ্রামবাসী। আবরারের বাড়ি ঢোকার মুখে ভিসির গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন নারীরা। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে এক নারী ও আবরারের ছোট ভাই আবরার ফায়াজসহ ৫ জন আহত হন।

তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম গাড়ি ঘুরিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এর আগে দুপুরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় রায়ডাঙ্গা গ্রামে যান বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।

রায়ডাঙ্গা গ্রামে গিয়ে আবরারের কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল ভিসির। এ খবরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল পরিমাণ সদস্য মোতায়েন করা হয়। আবরারের বাড়ির পাশে ও কবরের আশপাশের এলাকায় অসংখ্য র‌্যাব ও পুলিশ অবস্থান নেয়।

গত রোববার রাতে বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী। এরপর তাকে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

পিডিএসও/তাজ